চুল কাটানোর কথা বলে ছেলে-মেয়েকে হত্যা, বাবার যাবজ্জীবন

চুল কাটানোর কথা বলে ছেলে-মেয়েকে হত্যা, বাবার যাবজ্জীবন

কুষ্টিয়া ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৯:৩৭ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২   আপডেট: ১৯:৩৮ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২

দণ্ডিতকে কারাগারে পাঠায় আদালত

দণ্ডিতকে কারাগারে পাঠায় আদালত

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় চুল কাটতে নেয়ার কথা বলে ছোট্ট ছেলে-মেয়েকে হত্যা মামলায় বাবাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক মো. রেজাউল করিম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন আসামি।

দণ্ডিতের নাম আব্দুল মালেক। ৪২ বছর বয়সী মালেক ভেড়ামারা উপজেলার বাহির চর ১২ দাগ এলাকার আব্দুস সামাদের ছেলে।

মামলার বিবরণ দিয়ে আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী জানান, ২০১২ সালের ১৭ আগস্ট সকালে সেলুনে চুল কাটানোর কথা বলে ১০ বছর বয়সী মুন্নী খাতুন ও পাঁচ বছরের মুনসুরকে বাড়ি থেকে নিয়ে বের হন মালেক। সেলুনে না নিয়ে ঈশ্বরদীগামী একটি নসিমনে করে লালনশাহ সেতুতে নিয়ে যান তিনি। পরে সেতু থেকে ছেলে-মেয়েকে পদ্মা নদীতে ফেলে হত্যা করেন। এরপর শিশু দুটির মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস। এ ঘটনায় পরদিন স্বামীর বিরুদ্ধে ভেড়ামারা থানায় হত্যা মামলা করেন শিশুদের মা মমতাজ খাতুন।

এরপর ২০১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি মালেকের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন মামলা তদন্ত কর্মকর্তা ভেড়ামারা থানার পরিদর্শক রিয়াজুল ইসলাম। দীর্ঘ শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার এ রায় দেয় আদালত।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর