প্রেমিকার সঙ্গে কথা না বলে দেশ ছাড়বেন না প্রেমকান্ত 

প্রেমিকার সঙ্গে কথা না বলে দেশ ছাড়বেন না প্রেমকান্ত 

বরগুনা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২১:৩১ ৫ আগস্ট ২০২২  

তামিলনাডু থেকে আসা নৃত্যশিল্পী প্রেমকান্ত

তামিলনাডু থেকে আসা নৃত্যশিল্পী প্রেমকান্ত

ভারতের তামিলনাডু থেকে আসা নৃত্যশিল্পী প্রেমকান্ত তার প্রেমিকার খোঁজে এখন প্রেমিকার এলাকায় অবস্থান করছেন। শুক্রবার ( ৫  আগস্ট) বিকেল ৪ টায় বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার জেলা পরিষদের ডাক বাংলোতে অবস্থান করছেন।

জানা গেছে, ভারতের তামিলনাড়ু থেকে বাংলাদেশের বরিশালে প্রেমিকাকে পেতে এসেছেন নৃত্যশিল্পী প্রেমকান্ত। প্রেমিকার সঙ্গে দেখাও হয়েছিল, তবে অন্য এক যুবকের সঙ্গে তার প্রেমিকার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। শেষে মারধরের শিকার হয়ে তাকে থানায় থাকতে হয়েছে তিন রাত। তবুও হাল ছাড়তে চান না প্রেমাকান্ত। তার প্রেমিকাকে আরেকবার তিনি সরাসরি দেখতে চান। তাকে না দেখে, কথা না বলে এ দেশ ছাড়বেন না প্রেমকান্ত। তাই প্রেমিকার বাড়িতে আসছেন।

প্রেমাকান্তের দাবি, ২০১৯ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেয়েটির সঙ্গে পরিচয়। প্রথমে মেয়েটি প্রেমাকান্তের ভিডিওতে নিয়মিত লাইক ও কমেন্ট করত। এরপর দুজনের মধ্যে ভার্চুয়াল যোগাযোগ থেকে প্রেম হয়। মেয়েটির পরিবারের সঙ্গেও তার সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে। প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে অনেক আগেই তিনি এ দেশে আসতে চেয়েছিলেন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে আর আসা হয়নি। করোনা সংক্রমণ কমে যাওয়ায় তিনি মনস্থির করেন, দূর থেকে আর নয়, সরাসরি দেখবেন মনের মানুষটিকে। শেষে গত ২৪ জুলাই তিনি বরিশালে আসেন। এরপর তিনি শহরের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন। পরদিন দুপুর ১২টায় বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের সামনে দুজন দেখা করেন। দুপুরে শহরের একটি রেস্তোরাঁয় একসঙ্গে খাবার খান। ওই দিন বিকেলে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে পুনরায় তারা দেখা করেন, কথা বলেন। এ সময় মেয়েটির সঙ্গে তার কয়েকজন বান্ধবীও ছিল।

২৭ জুলাই তারা দুজন পুনরায় শহরে ঘুরতে বের হন। কাশিপুর এলাকায় গেলে চয়ন হালদার নামের এক যুবক দাবি করেন, তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক আছে ওই মেয়ের। এরপর চয়ন প্রেমাকান্তকে মারধর করেন। এ সময় তার কাছ থেকে টাকাও ছিনিয়ে নেন। 

এরপর থেকেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয় প্রেমকান্ত ও তার প্রেমিকার সঙ্গে। প্রেমকান্ত তার প্রেমিকাকে বরিশালের পথে পথে খুঁজে না পেয়ে এখন এখন বরগুনার তালতলীতে তার প্রেমিকার বাড়িতে যাওয়ার জন্য আসছেন।

তালতলী থানার ওসি সাখাওয়াত তপু বলেন, আমাদের সঙ্গে কথা হয়েছে, সে তালতলী থেকে চলে যাবে তার দেশের উদ্দেশে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ