প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে সেন্টমার্টিনে মাছের ম্যুরাল

প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে সেন্টমার্টিনে মাছের ম্যুরাল

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০১:২৯ ১৫ জানুয়ারি ২০২২   আপডেট: ০১:৩৪ ১৫ জানুয়ারি ২০২২

প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে বানানো মাছের ম্যুরাল। ছবি: সংগৃহীত

প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে বানানো মাছের ম্যুরাল। ছবি: সংগৃহীত

সৈকতে পড়ে থাকা বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক বোতল, প্যাকেট, পলিথিন, জাল, বস্তা ইত্যাদি আবর্জনা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে কোরাল মাছের বিশাল ম্যুরাল। দূষণ রোধে সচেতনতা বাড়াতে এটি তৈরি করেছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ, একোয়াকাচার অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স অনুষদ।

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অনুষদ এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সহযোগিতায় ম্যুরাল দুটি বানানো হয়।

কার্যক্রমটির পরিকল্পনাকারী ও প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. কাজী আহসান হাবীব জানান, সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক, স্থানীয় জেলে ও বাসিন্দারা যেন যত্রতত্র প্লাটিক ও অন্যান্য আবর্জনা না ফেলে এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করার লক্ষ্যে এই ম্যুরাল দুটি তৈরি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপ দেশের একমাত্র প্রবাল সমৃদ্ধ দ্বীপ। প্রতিবছর শীতকালে প্রতিদিন প্রায় ৩-৪ হাজার পর্যটক এ দ্বীপে আসেন। তাদের অনেকেই জানেন না দ্বীপের সমুদ্রতলে লুকিয়ে আছে বিচিত্র সব বর্ণিল ও মনোরম সুন্দর সব প্রাণী ও উদ্ভিদ। কিন্তু অপরিকল্পিত পর্যটন, দূষণ, মাছ ও প্রবালের আবাসস্থল ধ্বংস, মাত্রাতিরিক্ত মৎস্য আহরণ, অবৈধভাবে প্রবাল আহরণ ও অবকাঠামো নির্মাণ এবং সেই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সেন্টমার্টিনের প্রবাল প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র বর্তমানে হুমকির মুখে।

আহসান হাবীব বলেন, পরিবেশ দূষণের অনেকগুলো কারণের মধ্যে অন্যতম প্রধান কারণ হলো যত্রতত্র প্লাস্টিক ও পলিথিন আবর্জনা, ছেড়া জাল ও নাইলন বস্তা নিক্ষেপ, যা সাগরের পানিতে চলে যায় এবং এর অনেকাংশ পানির নিচে প্রবালের ওপর জমা হয়ে প্রবাল প্রতিবেশ বিনষ্ট করছে। পরিবেশ দূষণের হাত থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপকে বাঁচানোর উদ্যোগ হিসেবে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ, একোয়াকালচার ও মেরিন সায়েন্স অনুষদ একটি গবেষণা কার্যক্রমও হাতে নিয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ