নানিয়ারচর সেতু: বাণিজ্য-পর্যটনের নতুন দ্বার

নানিয়ারচর সেতু: বাণিজ্য-পর্যটনের নতুন দ্বার

রাঙামাটি প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:১৪ ১৪ জানুয়ারি ২০২২   আপডেট: ১৭:০৯ ১৪ জানুয়ারি ২০২২

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের দীর্ঘতম নানিয়ারচর সেতু

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের দীর্ঘতম নানিয়ারচর সেতু

রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলায় চেঙ্গী নদীতে নির্মিত হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের দীর্ঘতম সেতু। ৫০০ মিটার দীর্ঘ এ সেতুর মাধ্যমে রাঙামাটি পার্বত্য জেলার নানিয়ারচর, লংগদু ও বাঘাইছড়ি উপজেলার যোগাযোগ, ব্যবসা বাণিজ্য এবং পর্যটনের নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বুধবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সেতু উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পরই সেতুটি যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। নানিয়ারচরের মানুষ এ সেতুকে পার্বত্য চট্টগ্রামের পদ্মাসেতু হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৫ সালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের চেঙ্গী নদীতে সেতু নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই ঘোষণা বাস্তবায়নে কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৭ সালে। সেতুর মূল অবকাঠামো নির্মাণ শুরু হয় ২০১৮ সালে। ২২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে মাত্র তিন বছরেই অ্যাপ্রোচ সড়কসহ সেতুটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের দীর্ঘতম নানিয়ারচর সেতু৫০০ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি সফলভাবে নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের ২০ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন (ইসিবি)। প্রকল্প কর্মকর্তা মেজর মো. মিজানুর রহমান ফকির জানান, এ সেতু পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘতম সেতু। সেতুটির মূল উদ্দেশ্য- রাঙামাটি জেলা সদরের সঙ্গে নানিয়ারচর, লংগদু, বাঘাইছড়ি উপজেলার সহজ সংযোগ স্থাপন। সেতুটির কারণে এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দ্বার খুলে গেল।

নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রগতি চাকমা বলেন, এ সেতু এক সময় আমাদের স্বপ্ন ছিল। সেতুটির কারণে তিন উপজেলার নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। একটি সেতুর অভাবে মূল জেলা সদরের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন ছিল লংগদু ও বাঘাইছড়ি। এখন নানিয়ারচর, লংগদু ও বাঘাইছড়ি উপজেলার পারস্পরিক সংযোগ স্থাপিত হয়েছে। সরাসরি উপকৃত হয়েছে ১০ লাখের বেশি মানুষ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর/এমএস