রাসেল হত্যা: ছয়দিনেই রহস্য উদঘাটন, মূল হোতাসহ আটক ২

রাসেল হত্যা: ছয়দিনেই রহস্য উদঘাটন, মূল হোতাসহ আটক ২

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:৫০ ২৬ নভেম্বর ২০২১  

আটককৃত দুই আসামি

আটককৃত দুই আসামি

গত ১৯ নভেম্বর রাতে মণিপুরি রাস উৎসব দেখতে বের হয়েছিল মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের মাধবপুর ইউনিয়নের পাত্রখোলা চা বাগানের শ্রমিক রাসেল মিয়া। পরদিন দুপুরে বাড়ির পাশের আমঘাট ছড়া থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

লাশ উদ্ধারের ছয়দিন পর ক্লুলেস এ মামলার মূল রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে মূল হোতাসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

আটকৃতরা হলো- পাত্রখোলা চা বাগানের পশ্চিম পাড়ার দুলাল মুণ্ডা ও তার সহযোগী রঞ্জিত কুর্মী। বৃহস্পতিবার রাতে তাদের আটক করা হয়।

কমলগঞ্জ থানার এসআই সিরাজুল ইসলাম জানান, মামলাটি ছিল একদম ক্লুলেস। রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরুর পর ৬ দিনের মধ্যে বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে পাত্রখোলা চা বাগানের পশ্চিম লাইন এলাকার দুলাল মুণ্ডা ও তার সহযোগী রঞ্জিত কুর্মীকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার দায় স্বীকার করে। রাতেই তাদের মৌলভীবাজার মূখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করে জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

দুলাল মুণ্ডা জানায়, নিহত রাসেলের খালাতো ভাই মান্নানের সঙ্গে রাস্তায় সিএনজি অটোরিকশা পার্কিং নিয়ে হাতাহাতি হয়েছিল। ঐ ঘটনায় রাসেলের সঙ্গেও দুলালের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। ঐ সময় রাসেল তাকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়। এরপরই রাসেলকে হত্যার পরিকল্পনা করে দুলাল ও তার বন্ধু রঞ্জিত।

জবানবন্দিতে দুই আসামি জানায়, ১৯ নভেম্বর রাত ১২টার দিকে রাসেলকে  মদপান করিয়ে পাত্রখোলা চা বাগানের পাশের আমঘাট ছড়ায় নিয়ে যায়। সেখানে রাত দেড়টার দিকে রাসেলের পা চেপে ধরে রঞ্জিত আর দুলাল তার ঘাড় মটকে মৃত্যু নিশ্চিত করে লাশ পাহাড়ি ছড়ায় ফেলে চলে যায়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর