কাউন্সিলরসহ জোড়া খুনের ঘটনায় যা দেখা গেল সিসিটিভি ফুটেজে

কাউন্সিলরসহ জোড়া খুনের ঘটনায় যা দেখা গেল সিসিটিভি ফুটেজে

কুমিল্লা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১১:৫০ ২৫ নভেম্বর ২০২১  

(ছবি: সংগৃহীত)

(ছবি: সংগৃহীত)

বহুল আলোচিত কুমিল্লার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিল সৈয়দ মো. সোহেল এবং আওয়ামী লীগ নেতা হরিপদ সাহাকে হত্যার একটি ভিডিও ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। বুধবার (২৪ নভেম্বর) রাত থেকে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, কালো মুখোশ পড়ে অনবরত গুলি করে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে দুইজন সন্ত্রাসী। এ সময় কেউ ইট মেরে প্রতিরোধের চেষ্টা করলেই তাকেও গুলি শুরু করে।

ভিডিও ফুটেজে এক যুবকের হাতে দুটি এবং আরেক যুবকের হাতে একটি পিস্তল দেখা যায়। মুখোশধারী দুইজন পিস্তল নিয়ে কুমিল্লা নগরীর পাথুরিয়াপাড়া থ্রি-স্টার এন্টারপ্রাইজে কাউন্সিলর কার্যালয়ের সামনে দৌড়ে আসে। এরমধ্যে একজন ভেতরে ঢুকে প্রথম দফায় গুলি চালান। কয়েক সেকেন্ড পর মুখোশধারী আরেজনও কার্যালয় লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন।

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, গুলি করার শেষে একপর্যায়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন ওই দুই যুবক। তারা স্থান ত্যাগ করলে আশপাশের লোকজনকে বের হতে দেখা যায়।

নিহত কাউন্সিলর মো. সোহেলের ভাই রুমন জানান, সিসিটিভি ফুটেজ আমাদের বাসাতে রেকর্ড হয়। ঘটনার পর আমরা যখন ভাইকে নিয়ে হাসপাতালে যাই তখন র‌্যাবের একটি টিম সব ভিডিও নিয়ে যায়। আমরা সংগ্রহ করতে পারিনি।

উল্লেখ্য, সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। এ সময় গুলিতে তার সহযোগী হরিপদও নিহত হন। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ আরো চারজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মঙ্গলবার জানাজা শেষে তার মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

সৈয়দ মো. সোহেল কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়রও ছিলেন। তার বাড়ি নগরের সুজানগর এলাকায়। ২০১২ ও ২০১৭ সালে তিনি কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হন। দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি প্যানেল মেয়র ছিলেন। মো. সোহেল সুজানগর এলাকার শাহজাহান মিয়ার ছেলে। ছয় ভাই ও চার বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। তার স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে আছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম