‘স্বামীর একা দোষ না, এই মাইয়্যারও দোষ আছে’

‘স্বামীর একা দোষ না, এই মাইয়্যারও দোষ আছে’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০০:৩০ ১৮ অক্টোবর ২০২১  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে এক মাদরাসাছাত্রীকে দোকানে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় ছাত্রী দেড় মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। 

শনিবার মেয়ের বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত মো. ডলু মিয়াকে (৩৫) আসামি করে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় একটি লিখিত এজাহার জমা দেন। এ ঘটনার পর থেকে আসামি ডলু মিয়া পলাতক রয়েছেন। ডলু মিয়া ফরদাবাদ গ্রামের পোড়াবাড়ির মো. হাকিম মিয়ার ছেলে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার একটি মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী নানির বাড়িতে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে ফরদাবাদ রবির বাজারে কবির মিয়ার দোকানের মধ্যে ছাত্রীকে নিয়ে সাঁটার বন্ধ করে ডলু মিয়া গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা কাউকে বললে তাকে হত্যা করার ভয়ভীতি দেখালে সে কাউকে বলেনি। কিন্তু গত কিছুদিন আছে মাদরাসার ছাত্রীটি পেটের ব্যথায় কান্নাকাটি করলে ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে জানতে পারে ৪১ দিনের অন্তঃসত্ত্বা। বিষয়টি মেয়ের বাবা গ্রামবাসীকে জানালে অভিযুক্ত তার পরিবারের সবাইকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ডলু মিয়ার স্ত্রী ছেনু বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী ৭ লাখ টাকা নষ্ট করেছে এই মাইয়্যার (ধর্ষণের শিকার ছাত্রী) পিছনে ঘুরে ফিরে। আমার স্বামীর একা দোষ না, এই মাইয়্যারও দোষ আছে। মাইয়্যার পরিবারের অসচেতনতার কারণে এ ঘটনা ঘটছে।’

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার এসআই আক্তার হোসেন বলেন, মেয়ের বাবা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পেয়েছি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ