৮ মাস পর ইউপি সদস্য প্রার্থী জানলেন নিজের মৃত্যুর খবর!

৮ মাস পর ইউপি সদস্য প্রার্থী জানলেন নিজের মৃত্যুর খবর!

বগুড়া প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৮:৩২ ১৭ অক্টোবর ২০২১   আপডেট: ১৯:০৮ ১৭ অক্টোবর ২০২১

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

করোনা প্রতিরোধক টিকার জন্য বাবার নিবন্ধন করতে একটি কম্পিউটারের দোকান যান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদপ্রার্থী আব্দুল মোত্তালেবের ছেলে। অনেক চেষ্টা করেও নিবন্ধন ওয়েব পোর্টালে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি তার বাবার।

পরে বাবাকে বলেন উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে খোঁজ নিতে বলেন। সেখানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আট মাস আগেই তার বাবাকে মৃত দেখানো হয়েছে। নির্বাচন অফিসের ভোটার তালিকায় তার বাবা মৃত হয়ে আছেন।

এমন অভিযোগ করেন মোত্তালেবের ছেলে রাসেল আহমেদ।

আব্দুল মোত্তালেব বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মানিকদ্বিপা বিন্নাচাপর গ্রামের বাসিন্দা। আগামী ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে তিনি ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী।

কথা হয় মোত্তালেবের সঙ্গে। তিনি বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখি উপজেলা নির্বাচন অফিস আমাকে মৃত বানিয়ে রেখেছে। সেখানে দেখানো হয়েছে আমি আট মাস আগে মারা গেছি। এটা কীভাবে সম্ভব! তবে বিষয়টি সংশোধনের জন্য নির্বাচন অফিসে আবেদন করেছি।’

তিনি বলেন, আমি গতবারও নির্বাচন করেছি। এবারও নির্বাচনের জন্য মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি।
জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দুলাল হোসেন বলেন, এমন হওয়ার তো কথা নয়। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখা হবে।

প্রসঙ্গত, যদি কেউ মারা যান, তাহলে বিষয়টি তার পরিবারের সদস্য বা আত্মীয়দের পক্ষ থেকে নির্বাচন কার্যালয়কে জানাতে হয়। পরে নির্বাচন কার্যালয় থেকে একজন মাঠকর্মী সেটির তদন্ত করে দেখেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলা হয়। যাচাই-বাছাই প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হয়। মৃত্যুর কারণে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিতে হলে ইউনিয়ন পরিষদের মৃত্যু সনদও লাগে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম