রাজবাড়ীতে শিশু অপহরণ-ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামির যাবজ্জীবন

রাজবাড়ীতে শিশু অপহরণ-ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামির যাবজ্জীবন

রাজবাড়ী প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০০:২৪ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১  

জেলা ও দায়রা জজ আদালত, রাজবাড়ী

জেলা ও দায়রা জজ আদালত, রাজবাড়ী

রাজবাড়ীতে ১২ বছরের শিশু ও চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মো. মনির খানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজবাড়ীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক শারমিন নিগার এ রায় দেন। এ মামলায় অপর চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মনির খান শরিয়তপুর জেলার নরিয়া ইপজেলার শুভগ্রাম এলাকার আমির হোসেন খানের ছেলে। খালাস প্রাপ্তরা হলেন প্রাইভেট শিক্ষিকা জুলি, জুলির মা আনোয়ারা বেগম, ও প্রতিবেশী কল্পনা বেগম ও জবেদা বেগম।

আদালত ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২০১৬ সালের ১০ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গোয়ালন্দ উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের দারোগ আলীর মেয়ে জুলির কাছে প্রাইভেট পড়তে যায় ওই শিশুটি। প্রাইভেট পড়ে আর বাড়িতে ফিরে না আসলে মেয়েটির মা জুলিদের বাড়ি গিয়ে জানতে চাইলে জুলি জানায় ওই শিশুটি পড়া শেষ করে অনেক আগেই বাড়ি চলে গেছে। এরপর নিকট আত্মীয় স্বজন ও প্রতিবেশীর বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করে আর পাওয়া যায়নি শিশুটিকে। তার এক বছর পর ২০১৭ সালের ১৩ মে মেয়েটি ফোন করে জানায়, তার প্রাইভেট শিক্ষিকা জুলি, জুলির মা আনোয়ারা বেগম, ও প্রতিবেশী কল্পনা বেগম ও জবেদা বেগম মিলে তাকে আসামি মনির হোসেনের মাইক্রোবাসে তুলে দেন। এরপর মনির খান প্রথমে ঢাকায় ও পরে শরিয়তপুরে মনির খানের বাড়িতে আটকে রাখে ও নির্যাতন করে। এ ঘটনায় ওই দিনই ২০১৭ সালের ১৩ মে মেয়েটির মা গোয়ালন্দ ঘাট থানায় বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি করে মামলা করে।

রাজবাড়ীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর ( পিপি ) অ্যাডভোকেট উমা সেন বলেন, চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই শিশুটির মা মামলা দায়েরের পর দীর্ঘদিন এ মামলা চলে আসছিলো। দীর্ঘ শুনানি শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক শারমিন নিগার মামলার প্রধান আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।  রায়ের সময় আদালতে প্রধান আসামি উপস্থিত ছিলেন না। 
 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ