ইউটিউব দেখে কুল চাষে সাফল্য

ইউটিউব দেখে কুল চাষে সাফল্য

মাসুম হোসেন, বগুড়া ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১১:৫৮ ৫ মার্চ ২০২১  

নিজের আপেল কুল বাগানে ফারুক হোসেন

নিজের আপেল কুল বাগানে ফারুক হোসেন

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার তালোড়া গ্রামের বাসিন্দা ফারুক হোসেন। পেশায় মুদি দোকানি হলেও বর্তমানে সফল চাষি। ইউটিউব দেখে নিজের ২৯ শতাংশ জমিতে চাষ করেন আপেল কুল বা বরই। এতেই পেয়েছেন সাফল্য। ঘুরল তার ভাগ্যের চাকাও।

জানা গেছে, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে নাটোর থেকে আপেল কুলের চারা সংগ্রহ করেন ফারুক। চারা প্রতি তার খরচ হয় ৮৫ টাকা। উপজেলা কৃষি অফিসের সার্বিক সহযোগিতায় ১২৫টি চারাগাছ দিয়ে আপেল কুলের বাগান গড়ে তোলেন তিনি। এক বছরেই ভালো ফল এসেছে, শুরু করেন বিক্রিও। লাভও এসেছে বেশ। অল্প সময়ে নিজের সফলতা দেখে অবাক তিনি।

এদিকে, পাখি ও কাঠ বিড়ালের কবল থেকে ফল রক্ষা করতে বাগানজুড়ে টাঙানো হয়েছে জাল। ফারুকের বাগানের প্রত্যেক গাছে অন্তত ২৫-৩০ কেজি বরই ধরেছে। আপেল কুলের বাগানটি দেখতে ভিড় করেন গ্রামবাসীরা। অনেকে আবার ফারুকের কাছে চাচ্ছেন পরামর্শ।

কথা হয় ফারুকের সঙ্গে। তিনি বলেন, বাগান থেকেই এখন পর্যন্ত ২৫ হাজার টাকার বরই বিক্রি করেছি। ইউটিউবে ভিডিও দেখে ও ছোট ভাই প্রকৌশলী আব্দুল কুদ্দুসের পরামর্শে আপেল কুলের বাগান করি। এ বাগান থেকে অনেক লাভবান হবো।

ফারুক বলেন, আপেল কুল খেতে সুস্বাদু হওয়ায় বাজারে অনেক চাহিদা রয়েছে। বাগান থেকেই পাইকারি ৬০ টাকা কেজি দরে বরই বিক্রি করছি।

উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মামুন হোসাইন বলেন, আপেল কুল চাষি ফারুককে জমি নির্বাচনসহ বাগানটির প্রয়োজনীয় পরামর্শ আমরা দিয়েছি। কোনো উদ্যোক্তা নতুন কিছু করতে চাইলে আমরা তাকে উৎসাহ দেই।

জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজেদুল আলম বলেন, আপেল কুল চাষে মাটির ভেদাভেদ ও অতিরিক্ত খরচ না থাকায় চাষ লাভজনক। এ অঞ্চলে আপেল কুল বিচ্ছিন্নভাবে চাষ হয়ে থাকে। তবে কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ দেয়া ও সহযোগিতা করা হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর