তিন জেলায় চালু হলো এসএফটিএমএস অ্যাপ

তিন জেলায় চালু হলো এসএফটিএমএস অ্যাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০২:৩৮ ১৪ জানুয়ারি ২০২১   আপডেট: ০২:৪০ ১৪ জানুয়ারি ২০২১

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

আধুনিক, নিরাপদ ও যুগোপযোগী সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিতে বিশেষ অ্যাপ চালু করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে সিলেট, রাজশাহী ও খুলনা মহানগর এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে স্থানীয় পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ‘সার্ভিস ফ্রেন্ডলি ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এসএফটিএমএস) অ্যাপের মাধ্যমে সেবা দেবে। এরপর ক্রমান্বয়ে তা সারাদেশের সড়ক যোগাযোগে শৃঙ্খলা আনতে ব্যবহার করা হবে।

এ অ্যাপসের মাধ্যমে মানুষ সড়কসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য যেমন দিতে পারবেন, তেমনি পুলিশও বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দেবে।

সিলেট মহানগর পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত উপকমিশনার বিএম আশরাফ উল্লাহ তাহের বলেন, জনগণকে সড়ক দুর্ঘটনা, যানজট, অপরাধসহ এ সম্পর্কিত যেকোনো ধরনের তথ্য দিতে অ্যাপের মাধ্যমে বিশেষ এ সেবা চালু করা হয়েছে। দুর্ঘটনা, যানজট, সড়ক সংস্কার বা এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে মুমূর্ষু রোগী স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আগাম রুট পাস-সংক্রান্ত সেবাও পাওয়া যাবে এ অ্যাপের মাধ্যমে।

মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (ট্রাফিক) জ্যোতির্ময় সরকার বলেন, সারাদেশের মধ্যে সিলেট, খুলনা ও রাজশাহীর মেট্রোপলিটন এলাকায় এ সেবা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে। এতে ট্রাফিক বিভাগ ও জনসাধারণের জন্য আলাদা আলাদা অপশন রাখা হয়েছে।

এ অ্যাপের মাধ্যমে মানুষের ভ্রমণ নিরাপদ হবে বলে মনে করছে ট্রাফিক বিভাগ। পাশাপাশি জনসাধারণ ও ট্রাফিকের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে উঠবে, যা বর্তমানে পুলিশের অন্যতম উদ্দেশ্য।

জ্যোতির্ময় সরকার আরো বলেন, অ্যাপের মাধ্যমে মানুষ নিজেরাও রাস্তার যেকোনো প্রতিবন্ধকতার সংবাদ নিকটস্থ ট্রাফিক বিভাগকে জানাতে পারবেন। ফলে ট্রাফিক বিভাগ দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে।

এছাড়া এসএফটিএমএস অ্যাপ ব্যবহারের ফলে প্রতিদিনের ট্রাফিক বুলেটিন সম্পর্কে আপডেট তথ্যাদি ঘরে বসেই পাওয়া যাবে। এমনকি যেকোনো স্থানে যাত্রার সময় সহজেই সার্চের মাধ্যমে গন্তব্যের দূরত্ব, রাস্তার অবস্থা ও কোনো প্রকার প্রতিবন্ধকতা রয়েছে কিনা, তাও জানা যাবে।

এসএফটিএমএস অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিজের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর ও ৮ ডিজিটের পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে নিবন্ধন করা যাবে বলে জানিয়েছেন জ্যোতির্ময় সরকার।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর