বৈদ্যুতিক মিটার চুরি করে বিকাশে টাকা দাবি, আতঙ্কে গ্রাহক

বৈদ্যুতিক মিটার চুরি করে বিকাশে টাকা দাবি, আতঙ্কে গ্রাহক

নওগাঁ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৩:১৬ ৫ ডিসেম্বর ২০২০  

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

বৈদ্যুতিক মিটার চুরি করে সেখানে চিরকুটে লিখে রেখে যাওয়া হচ্ছে বিকাশ নম্বর। আর সেই নম্বরে টাকা পাঠানোর পর মিটার ফেরত দিচ্ছে চোরেরা।

নওগাঁর রাণীনগরে এমনই অভিনব কায়দায় চুরি হচ্ছে বৈদ্যুতিক মিটার। এতে করে উপজেলার প্রতিটি এলাকার মানুষদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। কখন কার মিটার চুরি হয়, এ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন গ্রাহকরা।

উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা গেছে, গত তিন মাসে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ২৫টি বিদ্যুতের মিটার চুরি হয়েছে। আর প্রতিটি মিটার চুরির পর ঘটনাস্থলে বিকাশ নম্বর লেখা কাগজের একটি চিরকুট রাখা হয়। পরে ওই নম্বরে যোগাযোগ করলে চোর সিন্ডিকেটের সদস্যরা ৩ থেকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে মিটার ফেরত দেয়। চুরি যাওয়া প্রতিটি মিটারের দাম ১৪ থেকে ১৮ হাজার টাকা। বিশেষ করে ৩ ফেজের শিল্প/সেচের মিটারগুলো বেশি চুরি হচ্ছে।

উপজেলা পল্লী বিদ্যুতের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) সাইদী সবুজ খাঁন বলেন, একই রাতে ৪টি মিটার চুরির পর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি। কিন্তু পুলিশ প্রশাসনের কোনো জোরালো পদক্ষেপ চোখে পড়েনি। আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে চিরকুটে লেখা বিকাশ নম্বর ট্র্যাকিং করে পুলিশ ওই সিন্ডিকেটের চোরদের খুঁজে বের করতে পারে।

রাণীনগর থানার ওসি জহুরুল হক বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ অফিসকে গ্রাহকদের সচেতন করার উদ্যোগ নিতে হবে। শুধু গ্রাহক নয়, সবাইকে সচেতন হতে হবে। পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত চোরদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচএফ