ডোপ টেস্টে চার পুলিশের শরীরে মিলল মাদক, হলেন প্রত্যাহার

ডোপ টেস্টে চার পুলিশের শরীরে মিলল মাদক, হলেন প্রত্যাহার

রাজশাহী প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২১:১১ ৩ ডিসেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৪:২৯ ৫ ডিসেম্বর ২০২০

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

ডোপ টেস্টে রাজশাহী জেলা পুলিশের চার সদস্যের মাদক সেবনের প্রমাণ মিলেছে। ডোপ টেস্টের প্রতিবেদন পজিটিভ আসার পর বিভাগীয় ব্যবস্থার অংশ হিসেবে তাদের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে। এ চারজনই জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। রাজশাহী জেলার অ্যাডিশনাল এসপি ইফতেখায়ের আলম এ তথ্য জানান।

তিনি আরো জানান, গত সেপ্টেম্বরে রাজশাহী জেলা পুলিশে সন্দেহভাজন মাদকাসক্ত পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্ট শুরু হয়। এর অংশ হিসেবে ৭ সন্দেহভাজনের ডোপ টেস্ট করার পর চারজনকে শনাক্ত করা হয়। এই চারজনই বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল। ডোপ টেস্টে মাদক গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর সম্প্রতি সাময়িক বরখাস্তসহ তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। গত রোববার জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের আরো আট পুলিশ সদস্যের ডোপ টেস্ট করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সেসব ফলাফলও ঢাকা থেকে রাজশাহীতে এসে পৌঁছাবে।

অ্যাডিশনাল এসপি ইফতেখায়ের আলম বলেন, গণহারে সবার ডোপ টেস্ট করা হচ্ছে না। শুধু যারা সন্দেহভাজন তাদেরই করা হচ্ছে। মুখ, চোখ ও ঠোট দেখেও অনেক সময় সন্দেহভাজন মাদকাসক্তদের প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব। ডোপ টেস্টের সময় তাদের এসব লক্ষণও দেখা হচ্ছে।

সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় দেশের মধ্যে রাজশাহীর বিভিন্ন থানা, ফাঁড়ি ও বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের মাদকাসক্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। রাজশাহী জেলায় পুলিশ সদস্যদের মাঝে মাদকাসক্তির হার অধিক বিবেচনায় তাদের ডোপ টেস্ট শুরু হয়েছে। গত রোববার ডোপ টেস্ট করা আটজনের মধ্যে এসআই, এএসআই ও কনস্টেবল রয়েছেন।

আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরো কিছু সন্দেহভাজন পুলিশ সদস্যের ডোপ টেস্ট হবে। রাজশাহী পুলিশ হাসপাতালের একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নেতৃত্বে ডোপ টেস্ট কমিটি করা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞ কমিটি প্রথমে ফলাফল ঢাকায় পুলিশ সদর দফতরে পাঠিয়ে থাকে। সেখান থেকে সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশকে ফলাফল জানানো হচ্ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ/জেডএম