টিটো-জুয়েলের নিয়ন্ত্রণে কুষ্টিয়া জাপা, তৃণমূলে ক্ষোভ

টিটো-জুয়েলের নিয়ন্ত্রণে কুষ্টিয়া জাপা, তৃণমূলে ক্ষোভ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৩:২০ ১ ডিসেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৭:১১ ১ ডিসেম্বর ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

চার বছর কুষ্টিয়া জেলা জাতীয় পার্টি নিয়ন্ত্রণ করছেন নাফিজ আহম্মেদ খান টিটো ও শাহারিয়ার জামিল জুয়েল। ২০১৬ সালের ৫ নভেম্বর টিটোকে সভাপতি ও জুয়েলকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টি। যোগ্য ও পরিশ্রমী নেতাদের পদ না দেয়ায় ক্ষুব্ধ জেলার তৃণমূল জাপা নেতাকর্মীরা। এমনকি মাঠ পর্যায়ের অনেকেই পদত্যাগ করেছেন।

জেলা জাতীয় পার্টির তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, সর্বশেষ সম্মেলনে তারা কাজী আব্দুর রাজ্জাককে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কেএম জাহিদকে চেয়েছিলেন। সে অনুযায়ী তালিকা করে হাইকমান্ডে পাঠালেও সে কমিটি অনুমোদন পায়নি। কয়েকজন সিনিয়র নেতা পছন্দের লোককে সভাপতি-সম্পাদক বানিয়ে দলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখেছেন। এতে অনেক যোগ্য নেতা পদবঞ্চিত হয়েছেন, অনেকে পদত্যাগ করেছেন। সব মিলিয়ে কুষ্টিয়ায় জাতীয় পার্টির অবস্থান বেশ নড়বড়ে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নেতা জানান, কুষ্টিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চোখে পড়ার মতো সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড নেই জাতীয় পার্টির। যেসব নেতা পদ দখল করে আছেন, তারা যেন থেকেও নেই। মাঠে তাদের দৌড়ঝাঁপ না থাকায় ঝিমিয়ে পড়েছে কর্মীরাও।

কুষ্টিয়া শহর জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি একেএম আশরাফুল ইসলাম মতিন বলেন, সম্মেলনের পর নবগঠিত কমিটি দেখে আমরা হতাশ হয়েছি। কমিটিতে জেলা জাতীয় পার্টির মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মূল্যায়নই করা হয়নি। এ কারণে আমরা পদত্যাগ করেছি। বর্তমান কমিটির সঙ্গে আমরা নেই।

কুষ্টিয়া জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি নাফিজ আহম্মেদ খান টিটো বলেন, সর্বশেষ সম্মেলনে যোগ্য নেতা-কর্মীরাই জেলা কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। বর্তমান কমিটিতে পছন্দের লোক না থাকায় একেএম আশরাফুল ইসলাম মতিন ও কেএম জাহিদ পদত্যাগ করেছেন। অনেকবার ডাকা হলেও তারা সাংগঠনিক কোনো কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন না। তবে বর্তমানে জেলা জাতীয় পার্টিতে কোনো কোন্দল নেই।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর/এইচএন