রাতে দেখা করতে গিয়ে আপত্তিকর অবস্থায় প্রেমিক-প্রেমিকা ধরা

রাতে দেখা করতে গিয়ে আপত্তিকর অবস্থায় প্রেমিক-প্রেমিকা ধরা

জামালপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১১:৪৮ ৩০ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৫:৫০ ১ ডিসেম্বর ২০২০

রাতে দেখা করতে গিয়ে আপত্তিকর অবস্থায় প্রেমিক-প্রেমিকা ধরা

রাতে দেখা করতে গিয়ে আপত্তিকর অবস্থায় প্রেমিক-প্রেমিকা ধরা

রাতে দেখা করতে গিয়ে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়লেন প্রেমিক প্রেমিকা। রোববার রাত ২টার দিকে মেলান্দহ উপজেলার ঘোষেরপাড়া ইউপির বংশী বেলতৈল এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

প্রেমিকা একাদশ শ্রেণির ছাত্রী এবং প্রেমিক হাজরাবাড়ী অনার্স কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্র দেলোয়ার হোসেন রনি। 

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রনির সঙ্গে ওই মেয়েটির প্রায় ৪ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। রোববার রাত ২টায় রনি বংশী বেলতৈল এলাকায় ওই ছাত্রীর বাড়ির কাছেই একটি বাগানে দেখা করতে যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের দু’জনকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরে ফেলে। ছেলের পরিবার বিয়ের কথা বলে মেয়ের আত্মীয় বাড়ি থেকে রনিকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেন।\

আরো পড়ুন: একসঙ্গেই লাশ হলো সদ্যোজাত দুই জমজ বোন

এ ঘটনায় ওই কলেজ ছাত্রী জানায়, তার সঙ্গে রনির ৪ বছরের প্রেমের সম্পর্ক। রোববার রাতে তার সঙ্গে প্রতিদিনের মতোই ফোনে কথা হয়। কথার এক পর্যায়ে সে ওই ছাত্রীকে বাগানে দেখা করতে বলে। দেখা করতে গেলে বাড়ির পাশের গরুর খামার মালিক মিয়ন ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন আমাদের দু’জনকে ধরে ফেলে।

মেয়েটির বাবা জহুরুল ইসলাম জানান, তাদের আটক করার পর দু’জনকে ধরে আমার বাড়িতে নিয়ে আসে। পরে ছেলের বাবাকে খবর দিলে রনির পরিবারের লোকজন আমার বাড়িতে আসেন। রনির বাবা ফজলু মিয়া জানতে পেরে বিয়ের কথা বলে তাদেরকে ঘোষেরপাড়া বাংলাবাজার এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে তাদের বিয়ের প্রস্তুতি করেন। এ সময় আত্মীয়ের বাড়ি থেকে রনি সুযোগ পেয়ে পালিয়ে যায়। আমার মেয়ে এখন রনির বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অবস্থান করছে।

গরু খামারি মিয়ন বলেন, আমি রাতে গরু পাহারা দেই। গভীর রাতে মানুষের সাড়া শব্দ পেয়ে বাহিরে বের হই। বাগান দিকে লক্ষ্য করলে আরো দুইজনকে দেখতে পায়। বাড়ির আরো লোকজন নিয়ে আমরা ওদের ধরে ফেলি।

আরো পড়ুন:  এই পরিবারের সবাই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী

এ বিষয়ে রনির মা বলেন, আমার ছেলে সারাদিন ইউটিউবের ভিডিও নিয়ে ব্যস্ত থাকে। আমাদের ঘরের কাজ চলতাছে। তার জন্য রনি বেলতৈল বাজারে একটি রুম ভাড়া নিয়ে থাকে। আমার ছেলে এ কাজ করছে বলে আমার মনে হয় না। এর পিছনে কারো ষড়যন্ত্র রয়েছে।

ঘোষেরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, এ বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করলে ছেলের পক্ষের সঙ্গে মিমাংসা হয়নি। তাছাড়া আমার আর কি করণীয়। তারা এখন আইনি ব্যবস্থা নিতে পারে। 

এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার ওসি এমএম ময়নুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেবো।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস/জেডএম