নাটোরে প্রথমবারের মতো পরিবেশবান্ধব কংক্রিট ইট উৎপাদন শুরু

নাটোরে প্রথমবারের মতো পরিবেশবান্ধব কংক্রিট ইট উৎপাদন শুরু

নাটোর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৩:২১ ২৫ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৯:০৯ ২৫ নভেম্বর ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

নাটোরে প্রথমবারের মতো অটোমেটিক কারখানায় স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে পরিবেশবান্ধব কংক্রিট ইটের উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে শহরের দিঘাপতিয়া এলাকায় স্থাপিত একটি অটোমেটিক কারখানায় এ উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।

ইট উৎপাদনে কাঁচামাল হিসেবে ১: ৫ অনুপাতে পাথরকুঁচি, পাথর ডাস্ট, ডোমার বালি, লোকাল বালি এবং সিমেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। কারখানায় প্রতিদিনের উৎপাদন ক্ষমতা ২০ হাজার ইট। কংক্রিট ইট ছাড়াও হলো ব্রিকস্ এবং সড়কের মিডিয়ান উৎপাদন করা হবে।

ইট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রেনু কংক্রিট অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং প্রাইভেট লিমিটেডের উৎপাদন ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. শাকিল আহমেদ জানান, প্রচলিত ইটের বিকল্প হিসেবে কংক্রিট ইট জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। প্রচলিত ইট উৎপাদনের ফলে কৃষি জমি কমছে, মূল্যবান মাটি নিঃশেষ হচ্ছে, ইট পোড়াতে জ্বালানির ব্যবহারে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, বৈদ্যুতিক সংযোগে কারখানার শেডের নিচে কংক্রিট ইট উৎপাদনে পরিবেশের দূষণ ঘটবে না। প্রতিটি ইটের দাম দুই টাকা বেশি হলেও নির্মাণ কাজে কংক্রিট ইট ব্যবহারে গাঁথুনি ও পলেস্তরায় ব্যবহৃত উপকরণের খরচ ৬০ ভাগ হ্রাস পায়। পাশাপাশি প্রচলিত ইটের পিএসআই বা চাপ সহনীয় ক্ষমতা সর্বোচ্চ ৮০০ হলেও কংক্রিট ইটের ক্ষেত্রে তা তিন হাজার পর্যন্ত। এ ইট অধিকতর টেকসই।

রেনু কংক্রিট অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউর রহমান লেলিন জানান, নির্মাণশিল্পে উপকরণ ও প্রযুক্তির ব্যবহারে ব্যাপক বৈচিত্র্য এসেছে। পরিবেশ সচেতনতার কারণে কংক্রিট ও হলো (Hollow) ইটের ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। 

উৎপাদক কোম্পানির চেয়ারম্যান জামিলুর রহমান লাকু শতভাগ গুণগত মান নিশ্চিত করে কংক্রিট ইট উৎপাদন করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক এমপি কাজী গোলাম মোর্শেদ, ব্যবসায়ী মীর আমিরুল ইসলাম জাহান, দিঘাপতিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ওমর শরীফ চৌহান, নাটোর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারাজী আহম্মদ রফিক বাবন প্রমুখ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে/এইচএন/AN/এসআর