বিয়ের ছয় দিন পর টাকা-স্বর্ণালংকার নিয়ে পালালেন স্ত্রী!   

বিয়ের ছয় দিন পর টাকা-স্বর্ণালংকার নিয়ে পালালেন স্ত্রী!   

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২১:২৪ ৩১ অক্টোবর ২০২০  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় পরকীয়ার জেরে স্বামীকে ছেড়ে নাছের হাওলাদার নামে এক যুবকের সঙ্গে পালিয়ে যান এক গৃহবধূ। তবে পালিয়ে বিয়ে করার ছয় দিন পর তার টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে ওই গৃহবধূ পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন নাছের।

এদিকে, নাছেরের বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছেন ওই গৃহবধূর মা। মামলা হওয়ায় পুলিশের ভয়ে বর্তমানে এলাকা ছাড়া ওই যুবক।

জানা যায়, উপজেলার বাহাদুরপুর (মাগুড়া) এালাকার এমদাদ হাওলাদারের ছেলে নাছের হাওলাদার ঘোশের হাট বাজারে মোবাইল মেরামত করতে গেলে ওই দোকানে বসে পগৌরনদী উপজেলার বাকাই (ইছাগুড়ি) এলাকার ওই গৃহবধূর সঙ্গে পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্রে প্রথমে মোবাইলে কথা হয়, পরে ইমোতে তারা ছবি আদান-প্রদান করেন। একপর্যায়ে তারা দুজন পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।

চার মাস প্রেম করার পর গত ১১ অক্টোবর ওই গৃহবধূ তার প্রথম স্বামীকে তালাক দিয়ে নাছেরের সঙ্গে পালিয়ে যান। পরের দিন ১২ অক্টোবর শরিয়তপুর জেলার পালং ইউপির বিয়ের রেজিস্ট্রার কাজী মাওলানা মো. আবুল হাসান শেখের কাছে বিয়ের রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করেন তারা।

বিয়ের পর ছয়দিন সংসার করে গত ১৮ অক্টোবর নাছেরের ৭৫ হাজার টাকা ও সাড়ে তিন ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের গহনা নিয়ে ওই গৃহবধূ পালিয়ে গৌরনদীতে তার মায়ের কাছে চলে আসেন। ওই দিনই ওই গৃহবধূর মা বাদী হয়ে গৌরনদী মডেল থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় পুলিশের ভয়ে এলাকা ছাড়া হয়ে পালতক রয়েছে নাছের।

এ ঘটনায় নাছের মুঠোফোনে বলেন, ভালোবাসার নামে ছলনা করে আমাকে বিয়ে করে ওই নারী আমার টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পলিয়েছে। ওই নারীর মা মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি করতেছে, যাতে আমি টাকা ও স্বর্ণালংকার ফেরত না নিতে পারি। আমিও তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।

মামলার বাদী বলেন, নাছের আমার মেয়েকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। ছয় দিন পর সেখান থেকে আমার মেয়ে পালিয়ে এসে জানানোর পর গৌরনদী মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে আমার মেয়ে তার স্বামী আবুল বাসারের কাছে ঢাকায় রয়েছে।

নাছেরের টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে মেয়ের পালানোর অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না এবং এ বিষয়ে তিনি কথা বলতে চান না।

মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা গৌরনদী থানার এসআই কামাল হোসেন জানান, এক নারী তার মেয়েকে ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগে মামলা করেছেন। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ