পুলিশ আসতেই বিয়ের অনুষ্ঠান হয়ে গেল মিলাদ মাহফিল

পুলিশ আসতেই বিয়ের অনুষ্ঠান হয়ে গেল মিলাদ মাহফিল

শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৩৪ ২৯ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ১৫:৪৪ ২৯ অক্টোবর ২০২০

বিয়েবাড়ি

বিয়েবাড়ি

বিয়ের সব আয়োজন শেষ। বরও চলে আসার সময় হয়েছে। কিন্তু এর আগেই পুলিশ ও প্রশাসন এসে হাজির। আর তখনই বিয়ের অনুষ্ঠান রূপ নিয়েছে মিলাদ মাহফিলে।

প্রথমে কনের বাবা মিলাদ মাহফিলের কথা বললেও প্রশাসনের জেরার মুখে বিয়ের অনুষ্ঠানের কথা স্বীকার করেন। পরে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেয় উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নছরতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বাল্যবিয়ে বন্ধ করেন ইউএনও মো. মিনহাজুল ইসলাম। একইসঙ্গে মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে মুচলেকা দেন বাবা।

স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার উপজেলার নুরপুর ইউপির নছরতপুর গ্রামের আব্দুল হাইয়ের ছেলে খোকন মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর বিয়ের দিন ধার্য ছিল। মেয়ের বিয়ের সব আয়োজন শেষ করেছিলেন বাবা। বরপক্ষের লোকজনের জন্য বাড়ির আঙিনায় ভূরিভোজের ব্যবস্থাও করা হয়। তবে মেয়েটি অপ্রাপ্তবয়স্ক এমন সংবাদ শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ জানতে পেরে ইউএনওকে জানায়। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ এসে বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি অজয় চন্দ্র দেব, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সাদ্দাম হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি অজয় চন্দ্র দেব বলেন, ঘটনাস্থলে যেতেই বাল্যবিয়ে বদলে মিলাদ মাহফিল হয়ে যায়। এরপর আমাদের জিজ্ঞাসাবাদে সত্যতা বেরিয়ে আসে।

এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জের ইউএনও মো. মিনহাজুল ইসলাম বলেন, অপ্রাপ্তবয়স্ক একটি মেয়ের বিয়ে আমরা বন্ধ করেছি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখার জন্য আমরা সরকারের এ কাজগুলো করছি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর