শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌপথে চরম দুর্ভোগে শত শত যাত্রী

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌপথে চরম দুর্ভোগে শত শত যাত্রী

লৌহজং (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০১:১১ ২৫ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ০১:১২ ২৫ অক্টোবর ২০২০

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাদারীপুর কাঁঠালবাড়ি নৌপথে বৈরী আবহাওয়ার কারণে লঞ্চ ও স্পিডবোট ঘাটে আটকা পড়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শত শত যাত্রী।

দুর্ঘটনা এড়াতে গত বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত নৌচলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। 

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) সূত্র জানায়, প্রবল বাতাস ও বৃষ্টির কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে এ নৌপথের ৮২টি লঞ্চ ও ৪ শতাধিক স্পিডবোট বন্ধ রাখা হয়েছে। শনিবার দুপুরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অসংখ্য যাত্রী শিমুলিয়া ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় আছেন। লঞ্চ টর্মিনালের সংযোগ সড়কে অসংখ্য মানুষের ভিড়।

এদের মধ্যে নারী-শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা খুব বেশি ভোগান্তিতে ছিলেন। নৌযান বন্ধ থাকায় অনেকে ঘাট ছেড়ে চলে গেলেও অধিকাংশ যাত্রী অপেক্ষায় বসে ছিলেন। শনিবার দুপুরে সীমিত আকারে কিছু নৌযান- ৫টি লঞ্চ ও কয়েকটি বড় আকারের সিবোট চলাচল শুরু করেছে। 

বিআইডব্লিউটিএর শিমুলিয়া ঘাটের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. শাহদাত হোসেন জানান, লঞ্চ ও স্পিডবোট দুই দিন চলাচল বন্ধ থাকায় দুই পারের কয়েক হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে আছেন। সকালনাগাদ নৌ চলাচলের সিদ্ধান্ত হয়নি। আবাহাওয়া ভালো হলে দুপুরনাগাদ নৌযান চলাচল শুরু হতে পারে।                                   

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তীব্র স্রোত ও নাব্য সংকটে তিন মাস ধরে এ নৌপথে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। তাই আগস্ট মাসে মাঝে মধ্যেই রাতে বন্ধ রেখে দিনে ফেরি চালানো হতো। প্রতিদিন মাত্র ৪-৫টি ছোট ফেরি চলাচল করত। সংকট তীব্র আকার ধারণ করায় সেপ্টেম্বর মাসে পাঁচ দফায় ১৭ দিন ফেরি বন্ধ ছিল। 

শিমুলিয়া ঘাটের ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক (টিআই) মো. হিলাল উদ্দিন জানান, ঘাট একেবারেই নীরব। যানবাহন, যাত্রী, পরিবহন শ্রমিক, হকারদের ডাকাডাকি ও কাজ কোনোটাই নেই। অলস সময় পার করতে হচ্ছে। নতুন করে কোনো গাড়িও আসছে না। যারা ঘাটে এসে আটকা পড়েছেন তারা চরম ভোগান্তিতে আছেন।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সাফায়াত আহম্মেদ বলেন, লৌহজং বিকল্প চ্যানেলের পাশ দিয়ে নতুন একটি চ্যানেল খনন চলছে। চ্যানেলটি পদ্মা সেতুর ৩৮ নম্বর খুঁটির পাশ দিয়ে হচ্ছে। এটি মাঝিরকান্দি হয়ে যাবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে