বিয়ের ‘বান’ ছাড়ানোর ফাঁদে ফেলে যুবতীকে ধর্ষণ

বিয়ের ‘বান’ ছাড়ানোর ফাঁদে ফেলে যুবতীকে ধর্ষণ

গাজীপুর প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৮:৫০ ২৪ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ২২:২১ ২৪ অক্টোবর ২০২০

বিয়ের ‘বান’ ছাড়ানোর ফাঁদে ফেলে যুবতীকে ধর্ষণ-প্রতীকী ছবি।

বিয়ের ‘বান’ ছাড়ানোর ফাঁদে ফেলে যুবতীকে ধর্ষণ-প্রতীকী ছবি।

গাজীপুরের শ্রীপুরে কথিত এক কবিরাজের বিরুদ্ধে পোশাক কারখানার শ্রমিক এক যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বিয়ের ‘বান’ ছাড়ানোর ফাঁদের অংশ হিসেবে পানি পড়া পান করিয়ে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটানো হয়। এ ঘটনায়  কবিরাজকে আসামি করে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী যুবতী।

মামলার তথ্যানুযায়ী, শ্রীপুরের নয়নপুর এলাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন ভুক্তভোগী যুবতী। প্রায় আড়াই মাস আগে ওই এলাকার মো. নজরুল ইসলামের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে উঠেন তিনি। একই বাড়িতে আবুল হাশেম নামের এক ভাড়াটিয়া পরিবার নিয়ে থাকেন। সেই সুবাদে আবুল হাশেমের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।

এক পর্যায়ে নিজেকে কবিরাজ পরিচয় দিয়ে ২০ অক্টোবর বেলা ১১টায় কথা আছে বলে যুবতীকে ঘরে ডেকে নেন আবুল হাশেম। পরে তিনি বলেন, কে বা কারা বিয়ে না হওয়ার জন্য তাকে (যুবতীকে) ‘বান’ মেরেছে। তাই তার বিয়ের কোনো প্রস্তাব আসছে না। এজন্য একটি গ্লাসে পানি নিয়ে এসে যুবতীকে পান করতে বলেন তিনি। পরে যুবতী সরল বিশ্বাসে পান করে নিজ কক্ষে চলে যান।

পানি পানের পর তার শারীরিক অবস্থা বেগতিক হলে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় মিনিট পর আবুল হাশেম তাকে রুম থেকে ডেকে নেন। পরে পাশের খালি রুমে নিয়ে যান। কিছু বুঝে উঠার আগে দরজা আটকে যুবতীকে ধর্ষণ করেন কথিত করিবাজ। ঘটনার পর কক্ষ থেকে বের হয়ে যুবতী কান্নাকাটি শুরু করলে তাকে খুন করার হুমকি দেন আবুল হাশেম। এ সময় ধর্ষিতার ফুফু ওই বাসায় চলে এলে আবুল হাশেম চলে যান। 

শ্রীপুর থানার ওসি খোন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলার পর থেকে আবুল হাশেম পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ