পাহাড় ধসের আশঙ্কা, প্রস্তুত আশ্রয়কেন্দ্র

পাহাড় ধসের আশঙ্কা, প্রস্তুত আশ্রয়কেন্দ্র

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:০৩ ২৩ অক্টোবর ২০২০  

চট্টগ্রামে পাহাড়ি এলাকার লোকজনকে সরিয়ে নিতে প্রশাসনের মাইকিং

চট্টগ্রামে পাহাড়ি এলাকার লোকজনকে সরিয়ে নিতে প্রশাসনের মাইকিং

টানা বর্ষণে চট্টগ্রামসহ পার্বত্য অঞ্চলে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। মহানগরী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় টানা বৃষ্টিপাতে পাহাড় ধসের শঙ্কা তৈরি হওয়ায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের ঢালুতে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাসকারীদের অবিলম্বে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। 

শুক্রবার এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। চট্টগ্রামের আবহাওয়াবিদ ফরিদ আহাম্মদ বলেন, পাহাড় ধসের আশঙ্কায় চট্টগ্রাম নগরীতে খোলা হয়েছে ১৫টি আশ্রয়কেন্দ্র।

তিনি বলেন, শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে প্রায় ১২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আজ সারাদিনই মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অব্যাহত বৃষ্টিতে পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে, বৈরি আবহাওয়া সমুদ্র উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম বন্দরসহ নদী ও সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৪ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফর।

অব্যাহত বর্ষণে চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে সাধারণ মানুষ। চট্টগ্রাম মহানগরীর নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ভূমি ধসের আশঙ্কায় চট্টগ্রাম মহানগরীর ১৭টি পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে নির্দেশনা দিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের ঢাল থেকে লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে শুক্রবার সকাল থেকেই মাইকিং করা হচ্ছে।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এস এম জাকারিয়া গণমাধ্যমে জানান, বৃষ্টিতে পাহাড় ধসের আশঙ্কা থাকায় পাহাড়ের ঢাল থেকে লোকজনকে সতর্ক থাকার জন‌্য মাইকিং করে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া, লোকজনের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ১৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, পাহাড় ধসের আশঙ্কায় পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীকে সরে যেতে মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা সরেজমিনে গিয়ে এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে