পটুয়াখালীতে স্পিডবোটডুবি: এখনো মেলেনি পাঁচ যাত্রীর সন্ধান

পটুয়াখালীতে স্পিডবোটডুবি: এখনো মেলেনি পাঁচ যাত্রীর সন্ধান

রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৩৮ ২৩ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ১৭:৪৭ ২৩ অক্টোবর ২০২০

আগুনমুখা নদীতে তলা ফেটে ডুবে যাওয়া স্পিডবোটের চালকসহ ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়

আগুনমুখা নদীতে তলা ফেটে ডুবে যাওয়া স্পিডবোটের চালকসহ ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার গুনমুখা নদীতে স্পিডবোট ডুবির ঘটনায় পুলিশ সদস্য ও ব্যাংক পরিদর্শকসহ পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছেন। ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পরও তাদের উদ্ধার করা যায়নি। 

এরআগে বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় নদী বন্দরে ২নং ও সমুদ্র বন্দরে ৩নং সতর্ক সংকেত জারি ছিল। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৮ জন যাত্রী নিয়ে রুমেন-১ নামের স্পিডবোটটি কোড়ালীয়া থেকে পানপট্টির উদ্দেশে ছেড়ে যায়। মাঝপথে আগুনমুখা নদীর ঢেউয়ের আঘাতে স্পিডবোট উল্টে গেলে যাত্রীরা নদীতে পড়ে যায়। সাঁতার কেটে ও স্থানীয়দের সহযোগীতায় চালকসহ ১৩ জন জীবিত উদ্ধার হয়। পাঁচজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। 

তারা হলেন রাঙ্গাবালী থানার পুলিশ কনেস্টবল মহিব্বুল্লাহ ও কৃষি ব্যাংক বাহেরচর শাখার পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান, আশা ব্যাংকের খালগোড়া শাখার কর্মকর্তা কবির হোসেন, বিদ্যুতের কাজে আসা দিনমুজুর ইমরান ও হাসান মিয়া।

নিখোঁজদের সন্ধানে নদীতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ ও কোস্টগার্ডের কয়েকটি টিম। 

প্রত্যক্ষদর্শী কৃষি ব্যাংক বাহেরচর শাখার ব্যবস্থাপক দেলোয়ার হোসেন জানান, নদীর মাঝখানে উল্টে যাওয়া স্পিডবোটের নিচে চাপা পড়েন কয়েকজন। কিছুক্ষণ পরে সেখান থেকে তারা বেড় হন। পরে সাঁতার কেটে পাশের একটি চরে উঠলে স্থানীয়দের সহযোগিতা করেন। যারা উঠতে পারেননি তারাই নিখোঁজ হন। পরে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। 
 
রাঙ্গাবালী থানার ওসি আলী আহম্মেদ জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকই বৈরী আবহাওয়া ছিল। নদী বন্দের ২ নম্বর ও সমুদ্র বন্দের ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত বহাল ছিল। এর মেধ্য লাইফ জ্যাকেট ছাড়া স্পিডেবাট চালানোর দায়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। বর্তমানে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

রাঙ্গাবালীর ইউএনও মাশফাকুর রহমান জানান, নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের কয়েকটি টিম কাজ করছে। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল খবর দেয়া হয়েছে। তারা পৌঁছালে উদ্ধার অভিযান জোড়ালো হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর/জেডএম