ইউপি নির্বাচনেও জাতীয় পার্টির ভরাডুবি

ইউপি নির্বাচনেও জাতীয় পার্টির ভরাডুবি

রংপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৪২ ২১ অক্টোবর ২০২০  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রংপুরে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্কিত জাতীয় পার্টি। জেলার নেতারা শক্তিশালী দল গঠনের কথা জানালেও সাম্প্রতিক ইউপি নির্বাচনে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা। সদর উপজেলার চন্দনপাট, হরিদেবপুর, সদ্যপুষ্কুরিণী ও তারাগঞ্জ উপজেলার ১ নম্বর আলমপুর ইউপি নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের।

মঙ্গলবার রাতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, চার ইউপির একটিতেও বিজয়ী প্রার্থীর ধারেকাছে ঘেঁষতে পারেননি জাপা প্রার্থীরা। ৮০ শতাংশ ভোটার নির্বাচনে অংশ নিলেও তাদের পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিতে পারেননি জাপার চেয়ারম্যান-মেম্বার প্রার্থীরা।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, হরিদেবপুরে বিজয়ী প্রার্থী পেয়েছেন ১১ হাজার ৭৬ ভোট। আর জাতীয় পার্টির প্রার্থী পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৭৯৬ ভোট। সদ্যপুষ্করিনী ইউপিতে বিজয়ী প্রার্থী পেয়েছেন ছয় হাজার ৫৬০ ভোট। জাতীয় পার্টির প্রার্থী পেয়েছেন ৬ হাজার ১২৭ ভোট। চন্দনপাট ইউপিতে বিজয়ী আওয়ামী লীগের প্রার্থী পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৬০৮ ভোট। আর জাতীয় পার্টির প্রার্থী পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৩৭৮ ভোট। তারাগঞ্জ উপজেলার ১ নম্বর আলমপুর ইউপিতে বিজয়ী আওয়ামী লীগের প্রার্থী পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৯০৩ ভোট। আর জাতীয় পার্টির প্রার্থী পেয়েছেন ২ হাজার ১০৭ ভোট।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নির্বাচন উপলক্ষে তিনটি ইউপিতেই অন্য দলের প্রার্থী-সমর্থকরা প্রচার-প্রচারণায় সরগরম থাকলেও মাঠে দেখা যায়নি জাতীয় পার্টির প্রার্থী কিংবা কর্মী-সমর্থকদের। গণসংযোগ না করার কারণেই এমন ভরাডুবি হয়েছে বলে জানান ভোটাররা।

রংপুর জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এসএম ফখর-উজ-জামান বলেন, নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ না থাকায় এই নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে জাতীয় পার্টির। গণসংযোগ না থাকায় ভোট পাননি আমাদের প্রার্থীরা। করোনা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কার্যক্রম না থাকায় নিজেদের ঘাঁটিতেই আমাদের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়েছে।

তিনি আরো বলেন, দলের অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি। কেন্দ্রের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ চলছে। শিগগিরই রংপুরে পুরোনো অবস্থান ফিরে পাবে জাতীয় পার্টি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর