চাকমা তরুণীকে ধর্ষণ, দুই আসামির জবানবন্দি 

চাকমা তরুণীকে ধর্ষণ, দুই আসামির জবানবন্দি 

ফেনী প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৪:১৩ ২১ অক্টোবর ২০২০  

গ্রেফতার মো. রিয়াজ ও  ছোটন চন্দ্র শীল

গ্রেফতার মো. রিয়াজ ও ছোটন চন্দ্র শীল

ফেনীতে চাকমা তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে মামলার দুই আসামি রিকশাচালক মো. রিয়াজ ও সেলুন কর্মচারী ছোটন চন্দ্র শীল। মঙ্গলবার বিকেলে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় তারা। এ তথ্য জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফেনী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক আদিল মাহমুদ।

তদন্ত কর্মকর্তা আরো জানান, দুপুরে পৃথকভাবে ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালতে মো. রিয়াজের ও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্টেট্র ধ্রুব জ্যোতি পালের আদালতে ছোটন চন্দ্র শীলের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। তার দুজনেই ঘটনার সাথে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে ওই রাতের বিবরণ দিয়েছে। জবানবন্দি শেষে আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তিনি আরো বলেন, ওই তরুণীকে তার ভগ্নিপতির জিম্মায় দেয়া হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার  রাতে মহিপাল হতে বিসিক এলাকায় পৌঁছে দেয়ার কথা বলে ফেনী পৌর ময়লা ডাম্পিং এলাকায় মোক্তার বাড়ির সামনে নিয়ে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে রিকশাচালক লক্ষীপুর জেলার কমলনগর থানার জগবন্ধু গ্রামের মো. ছাদেকের ছেলে মো. রিয়াজ। একই রাতে তাকে একা পেয়ে দেওয়ানগঞ্জ মূল সড়কের পাশে নিয়ে ধর্ষণ করে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের সমীর চন্দ্র শীলের ছেলে সেলুন কর্মচারী ছোটন চন্দ্র শীল। পরে ভোরের দিকে টহলরত পুলিশ সদস্যরা সন্দেহের বশে তাকে (ওই মেয়েটিকে) ধরে থানায় আনলে মেয়েটি ঘটনার কথা জানালে ওই দুজনকে আটক করা হয়।

ফেনী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) ওমর হায়দার জানান, এ ঘটনায় সোমবার সকালের দিকে ওই মেয়েটি বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ২০০০ এর (সংশোধনী/২০০৩) এর ৯ (৩) ধারায় মামলা করে। ওইদিন সন্ধ্যার দিকে মেয়েটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। মঙ্গলবার এ মামলায় গ্রেফতার দুই আসামি আদালতে হাজির করে পুলিশ।

গ্রেফতার রিকশাচালক রিয়াজ ফেনীর দেওয়ানগঞ্জের বাবুল মিয়ার কলোনিতে ভাড়া থাকে, আর ছোটন হাজারী রোডের একটি সেলুনে কাজ করত। মেয়েটির বাড়ি খাগড়াছড়িতে। সোমবার চট্টগ্রামে বোনের বাসা থেকে সে বান্ধবীর কাছে ফেনীতে বেড়াতে এসেছিল।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ