ন্যাড়া হয়ে-দাড়ি কেটে আত্মগোপন করে ধর্ষক তারেক

ন্যাড়া হয়ে-দাড়ি কেটে আত্মগোপন করে ধর্ষক তারেক

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২০:৩৬ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ২১:০৯ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

গ্রেফতারের সময় চুল-দাড়ি ছিল না ধর্ষক তারেকের

গ্রেফতারের সময় চুল-দাড়ি ছিল না ধর্ষক তারেকের

সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে গণধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার তারেকুজ্জামান তারেক নিজেকে বাঁচাতে মাথা ন্যাড়া করে ও দাড়ি কেটে আত্মগোপন করেছিল বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জের দিরাই পৌর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আরো পড়ুন>>> সাইফুরের সন্ত্রাসী ও ধর্ষক হয়ে ওঠার কাহিনী

র‍্যাব-৯ সিপিসি-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার ফয়সল জানান, গণধর্ষণের ঘটনার পর সিলেট থেকে পালিয়ে যায় তারেক। পরে চুল ও দাড়ি কেটে সুনামগঞ্জের দিরাই পৌর এলাকায় আত্মগোপন করে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তারেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখন সে র‌্যাবের হেফাজতে আছে। পরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে, শুক্রবার রাতে স্বামীর সঙ্গে এমসি কলেজে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন এক গৃহবধূ। আসামিরা তাকে এমসি কলেজের মূল ফটক থেকে তুলে হোস্টেলে নিয়ে যায়। পরে সেখানে একটি কক্ষের সামনে স্বামীকে বেঁধে তাকে ধর্ষণ করে।

আরো পড়ুন>>> ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ: আসামিদের পক্ষে দাঁড়াননি কোনো আইনজীবী

এ ঘটনায় শনিবার সকালে শাহপরাণ থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর স্বামী। এরপরই ধর্ষকদের গ্রেফতারে অভিযানে নামে পুলিশ।

রোববার ভোরে সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে গ্রেফতার করা হয় মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে। একই সময় হবিগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয় চার নম্বর আসামি অর্জুন লস্করকে।

আরো পড়ুন>>> গণধর্ষণে জড়িত তিনজনের নাম বলল সাইফুর-অর্জুন

রোববার রাতে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি ও নবীগঞ্জ থেকে রবিউল ইসলামকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সিলেটের ফেঞ্জুগঞ্জের কচুয়া নয়াটিলা এলাকা থেকে গ্রেফতার হয় রাজন আহমেদ ও তার সহযোগী আইনউদ্দিন।

সোমবার ও মঙ্গলবার ছয়জনকেই পাঁচদিন করে রিমান্ড দেয় আদালত।

আরো পড়ুন>>> ছাত্রাবাসে ধর্ষণ: লুঙ্গি পরে পালাতে গিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি মাসুমের

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর