ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ মামলার আরেক আসামি মাসুম গ্রেফতার 

ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ মামলার আরেক আসামি মাসুম গ্রেফতার 

সিলেট প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০০:২৫ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ০৯:৩৪ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

গ্রেফতার মাহফুজুর রহমান মাসুম

গ্রেফতার মাহফুজুর রহমান মাসুম

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে গৃহবধূকে গণধর্ষণ মামলার আসামি মাহফুজুর রহমান মাসুমকে গ্রেফতার করেছে কানাইঘাট থানা পুলিশ। সোমবার রাতে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া মাসুম কানাইঘাট উপজেলার দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউপির লামা দলইকান্দি গ্রামের সালিক আহমদ ছেলে।এ তথ্য নিশিচত করেছেন কানাইঘাট থানার ওসি মো. শামসুদ্দোহা।

গত শুক্রবার বিকেলে স্বামীর সঙ্গে এমসি কলেজে বেড়াতে গিয়েছিলেন এক গৃহবধূ। সন্ধ্যায় তাদের কলেজ থেকে ছাত্রাবাসে ধরে নিয়ে যায় কয়েকজন যুবক। এরপর দুইজনকে মারধর করা হয়। একই সঙ্গে স্বামীকে আটকে রেখে তার সামনে স্ত্রীকে গণধর্ষণ করে তারা। খবর পেয়ে রাতে ছাত্রাবাস থেকে ওই দম্পতিকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ধর্ষণের শিকার নারীকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করা হয়।

রোববার দুপুরে সিলেটের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২২ ধারায় ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরে জবানবন্দি দেন নির্যাতিত গৃহবধূ। এরপর তাকে আবার হাসপাতালে নেয়া হয়।

এ ঘটনায় শনিবার অভিযুক্ত ছয়জনের নাম উল্লেখ করে নয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন গৃহবধূর স্বামী। পুলিশ রোববার সকালে সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে সাইফুর রহমান ও হবিগঞ্জের মাধবপুরের মনতলা থেকে অর্জুন লস্করকে গ্রেফতার করে। তারা দুজনই সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার আসামিরা হলেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার উমেদনগরের রফিকুল ইসলামের ছেলে তারেকুল ইসলাম তারেক, হবিগঞ্জ সদরের বাগুনিপাড়ার শাহ মো. জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি, জকিগঞ্জের আটগ্রামের কানু লস্করের ছেলে অর্জুন লস্কর, দিরাই উপজেলার বড়নগদীপুর (জগদল) গ্রামের রবিউল হাসান ও কানাইঘাটের গাছবাড়ি গ্রামের মাহফুজুর রহমান মাসুম। এছাড়া অজ্ঞাত আরো তিনজনকে আসামি করা হয়।

এ পর্যন্ত মামলার এজাহারভুক্ত পাঁচ আসামিসহ সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখনো পলাতক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মাহফুজুর রহমান মাসুম ও তারেকুল ইসলাম তারেক। তাদের গ্রেফতারে মাঠে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ/এমকে