ফরিদপুরে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হলেন ভোলা

ফরিদপুরে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হলেন ভোলা

ফরিদপুর প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২৩:৩৩ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০  

ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী শামসুল হক ওরফে ভোলা মাস্টার

ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী শামসুল হক ওরফে ভোলা মাস্টার

আসন্ন ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী শামসুল হক ওরফে ভোলা মাস্টার। চেয়ারম্যান পদের এ উপ-নির্বাচনে গত ২৩ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিনে মোট তিনজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন।

তারা হলেন, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী শামসুল হক ভোলা মাস্টার, বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মৎস্যজীবী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সদরের গেরদা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সেলিম মিয়া এবং সরকারি ইয়াছিন কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুল আজিজ।

স্বতন্ত্র প্রার্থী সরকারি ইয়াছিন কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুল আজিজ রোববার তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আব্দুল আজিজ জানান, তিনি এ নির্বাচন থেকে তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তিনিও আওয়ামী লীগ করেন। তাছাড়া আবার আওয়ামী লীগ দলীয় একজন প্রার্থী রয়েছে। এই অবস্থায় তার নির্বাচন করা শোভন হয় না।

অপরদিকে, গত শনিবার বিকেলে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেয়া মনোনয়নপত্রগুলির বাছাইকালে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী সেলিম মিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়। তিনি ঋণ খেলাপি হওয়ায় পাঁচটি স্বাক্ষরের জায়গায় একটি স্বাক্ষর না থাকায় বাছাইকালে তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়। পরে তিনি রোববার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।

এ বিষয়ে সেলিম মিয়া বলেন, তার মা অসুস্থ, পাশাপাশি বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাকে সহযোগিতা না করায় তিনি তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা নওয়াবুল ইসলাম জানান, চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৯ সেপ্টেম্বর। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় শেষ হওয়ার পর আনুষ্ঠানিক ভাবে শামসুল হককে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।

 গত ১০ জুলাই করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মৃধা মারা যান। ফলে চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হয়ে যায়।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ