কক্সবাজার সৈকতে বর্জ্য অপসারণ শুরু

কক্সবাজার সৈকতে বর্জ্য অপসারণ শুরু

কক্সবাজার প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৩:৫৮ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৫:৫১ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

সৈকতে ভেসে আসা বর্জ্য অপসারণের কাজ অবশেষে শুরু করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন

সৈকতে ভেসে আসা বর্জ্য অপসারণের কাজ অবশেষে শুরু করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন

কক্সবাজার সৈকতে ভেসে আসা বর্জ্য অপসারণের কাজ অবশেষে শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। সোমবার সকাল থেকে সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে এ কাজ শুরু হয়। প্রতিটি পয়েন্টে ১০ জন করে পরিচ্ছন্নতা কর্মী বর্জ্য পরিষ্কারের কাজ করছেন।

পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা জানান, সকাল থেকেই বর্জ্য পরিষ্কার করা হচ্ছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত সমুদ্রে বর্জ্য ভেসে আসা অব্যাহত থাকায় পরিষ্কার করেও লাভ হচ্ছে না।

আরো পড়ুন: কক্সবাজার সৈকতে ফের ভেসে আসছে বর্জ্য

কক্সবাজার সৈকতের বর্জ্য পরিষ্কার করছেন স্বেচ্ছাসেবকরা

সৈকতে আসা পর্যটকরা জানান, শিগগিরই এসব বর্জ্য পরিষ্কার না করলে বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম এ সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য নষ্ট হবে।

শুক্রবার থেকে ভারি বষর্ণের কারণে সমুদ্র থেকে সৈকত তীরে ভেসে আসতে থাকে গাছের গুঁড়ি, খড়কুটো, কাঁচের বোতল, লতাপাতা ও ছেড়া জাল। যা সৈকতের সৌন্দর্য নষ্টের পাশাপাশি পর্যটকদের আনন্দে বাধা সৃষ্টি করছে। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশনের পরই বর্জ্য অপসারণের উদ্যোগ নেয় জেলা প্রশাসন।

আরো পড়ুন: সৈকতে ভেসে আসা বর্জ্যের উৎস কোথায়?

 

এর আগে, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে এসে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়েছেন শতাধিক করোনা যোদ্ধা।

কক্সবাজার সৈকতের বর্জ্য পরিষ্কার করছেন স্বেচ্ছাসেবকরা

রোববার বিকেলে সৈকতের বালিয়াড়িতে হাটতে গিয়ে সমুদ্রে ভেসে আসা আবর্জনা দেখতে পেয়ে পরিষ্কার করতে নেমে পড়েন চট্টগ্রাম করোনা আইসোলেশন সেন্টারের চিকিৎসক, নার্স ও স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের একঝাঁক স্বেচ্ছাসেবক। তারা অতিমাত্রায় বোতল, প্লাস্টিকসহ অপচনশীল পদার্থ এক স্থানে জড়ো করেন।

চট্টগ্রাম করোনা আইসোলেশন সেন্টারের অন্যতম প্রধান সমন্বয়ক নুরুল আজিম রনি বলেন, বালিয়াড়িতে হাঁটতে গিয়ে দেখি প্রচুর বোতলজাত ও প্লাস্টিক দ্রব্য  সমুদ্রে ভেসে আসা নানা ধরনের বর্জ্য সৈকতে জমা হচ্ছে। এসব বর্জ্য পর্যটকরাই সমুদ্রে ফেলেছেন। কক্সবাজার সৈকত আমাদের জাতীয় সম্পদ। এটি রক্ষার দায়িত্ব সবার। পর্যটকদের উচিত নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলা। পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে দেশের পর্যটন শিল্পকে তুলে ধরা দরকার।

 

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর