শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল ফের বন্ধ

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল ফের বন্ধ

লৌহজং (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০১:৫৭ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০  

পারাপারের অপেক্ষায় শিমুলিয়া ঘাটে ছোট-বড়ো মিলিয়ে আটকা পড়েছে প্রায় ৩ শতাধিক গাড়ি

পারাপারের অপেক্ষায় শিমুলিয়া ঘাটে ছোট-বড়ো মিলিয়ে আটকা পড়েছে প্রায় ৩ শতাধিক গাড়ি

চতুর্থবারের মতো শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। রোববার দুপুরে এ নৌরুটের লৌহজং টার্নিং চ্যানেলে নাব্য সংকট দেখা দিলে বেলা ২টায় ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় ঘাট কর্তৃপক্ষ। এদিকে ফেরি বন্ধ হওয়ায় নদী পারাপারের অপেক্ষায় শিমুলিয়া ঘাটে ছোট-বড়ো মিলিয়ে আটকা পড়েছে প্রায় ৩ শতাধিক গাড়ি।

খুলনাগামী এক যাত্রী বলেন, আমরা সব সময় এ পথ দিয়ে গ্রামের বাড়ি ও ঢাকার কর্মস্থলে যাতায়াত করি। একমাস ভালোভাবে যেতে পারলে ২ মাস ভোগান্তিতে পড়তে হয়। আমরা যাত্রীসাধারণ খুব অসহায় হয়ে পড়েছি। গত শনিবার রাত ৯টার সময় ঘাটে এসেছি। সারা রাত ফেরি বন্ধ থাকার পর দুপুরে আমার গাড়িটি ফেরিতে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, এমন সময় ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। এখন আমি আমার পরিবার নিয়ে কী করবো ভেবে পাচ্ছি না।

বরিশালগামী পণ্যবাহী এক ট্রাক ড্রাইভার জানান, ড্রাইভারের জীবন একটি অভিশপ্ত জীবনে পরিণত হয়েছে। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত এখানে ফেরির জন্য অপেক্ষা করতে হয়। 

বিআইডব্লিউটিসি’র শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) শাফায়েত আহমেদ জানান, নাব্য সংকটের কারণে রাতে প্রায় ১২ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার পর সকাল থেকে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়। সকালে ছোট ৫টি ফেরি নৌরুটের লৌহজং টার্নিং চ্যানেল হয়ে যানবাহন পারাপার করছিল। তবে চ্যানেলে পানির উচ্চতা কম হওয়ায় সকাল থেকেই বিঘ্ন পরিস্থিতি তৈরি হয়। দুপুরে কাঁঠালবাড়ি থেকে ছেড়ে আসা ছোট ফেরি কুমিল্লা নাব্য সংকটে চ্যানেলের মাঝে আটকে যায়। এমন পরিস্থিতিতে কাঁঠালবাড়ি থেকে ছেড়ে আসা আরও ২টি ফেরি কাকলী ও ক্যামেলিয়া কাঁঠালবাড়ি ঘাটে ফিরে যায়। বর্তমানে ফেরি চলাচল অসম্ভব হয়ে পড়ায় দুপুর ২টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। নাব্য সংকট কেটে গেলে আবারো ফেরি চালু হবে।

মাওয়া ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক (টিআই) হিলাল উদ্দিন জানান, দুপুরে নাব্য সংকটের কারণে ফেরি বন্ধ হবার কারণে ঘাট এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ছোট গাড়ির থেকে পণ্যবাহী ট্রাকের সংখ্যা বেশি।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ