ছাত্রাবাসে গণধর্ষণে এবার গ্রেফতার রনি-রবিউল 

ছাত্রাবাসে গণধর্ষণে এবার গ্রেফতার রনি-রবিউল 

সিলেট প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২৩:০৪ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০  

গ্রেফতার রনি ও রবিউল

গ্রেফতার রনি ও রবিউল

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে একগৃহবধুকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের ঘটনায় এবার আরো দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রোববার রাতে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের নিজামপুর থেকে শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি ও নবীগঞ্জ উপজেলা থেকে রবিউল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।  পুলিশ ও র‌্যাবের একটি বিশ্বস্ত সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গ্রেফতার মাহবুবুর রহমান রনি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বাগুনীপাড়া গ্রামের শাহ মো. জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে ও রবিউল সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার বড়নগদীপুর গ্রামের বাসিন্দা। 

এর আগে রোববার সকালে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার খেয়াঘাট এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামি মো. সাইফুর রহমান ও হবিগঞ্জের মাধবপুরের মনতলা এলাকার দূর্লভপুর গ্রাম থেকে অর্জুন লস্করকে গ্রেফতার করে পুলিশ। 

গ্রেফতার সাইফুর সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলা চান্দাইপাড়া গ্রামের মো. তাহিদ মিয়ার ছেলে ও অর্জুন লস্কর জকিগঞ্জ উপজেলার আটগ্রামস্থ মরিচা এলাকার কানু লস্করের ছেলে।  

অন্যদিকে গণধর্ষণের ঘটনায় এখনো পলাতক রয়েছেন আরো দুই আসামি। তারা হলেন, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার উমেদ নগর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক ও কানাইঘাটের গাছবাড়ি এলাকার বাসিন্দা মাহফুজুর রহমান মাসুম। 

এর আগে এর আগে শুক্রবার রাতে স্বামীর সঙ্গে এমসি কলেজে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন এক গৃহবধূ। ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূর বাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমায়। অভিযুক্তরা ওই তরুণীকে এমসি কলেজের মূল ফটক থেকে তুলে হোস্টেলে নিয়ে যায়। পরে সেখানে একটি কক্ষের সামনে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে গণধর্ষণ করে। 

গণধর্ষণের ঘটনায় শনিবার সকালে ধর্ষিতা স্বামী বাদী হয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের শাহপরাণ থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে নয়জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

অন্যদিকে অভিযুক্ত ধর্ষক সাইফুর রহমানকে প্রধান আসামি করে অস্ত্র আইনে আরো একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পরপরই ধর্ষকদের ধরতে অভিযানে নামে পুলিশ। এ পর্যন্ত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

এদিকে রোববার দুপুরে সিলেটের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২২ ধারায় ঘটনার জবানবন্দি দেন নির্যাতিত গৃহবধূ। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী জবানবন্দিতে উঠে এসেছে অনেকে তথ্য। এরপর তাকে আবার সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ