ব্যাংক লুট করতে এসে ব্যর্থ, নিয়ে নিল নিরাপত্তা কর্মীর প্রাণ

ব্যাংক লুট করতে এসে ব্যর্থ, নিয়ে নিল নিরাপত্তা কর্মীর প্রাণ

আশুগঞ্জ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:০৪ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০  

ব্যাংকের গ্রিল কেটে ভেতরে ঢুকে দুর্বৃত্তরা (ইনসেটে নিহত নিরাপত্তা কর্মী)

ব্যাংকের গ্রিল কেটে ভেতরে ঢুকে দুর্বৃত্তরা (ইনসেটে নিহত নিরাপত্তা কর্মী)

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের নিরাপত্তা কর্মী রাজেশ বিশ্বাসকে হত্যা করে ভল্ট ভেঙে টাকা লুটের চেষ্টা চালায় দুর্বৃত্তরা। তবে ভল্টের হাতল ভাঙতে পারলেও লক ভাঙতে পারেনি বলে দাবি ব্যাংক কর্মকর্তার।

এ ঘটনায় রোববার সকালে আশুগঞ্জে আসেন ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের জোনাল ম্যানেজার এবিএম জহিরুর হক, সহকারী জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল বাসেদ, সিনিয়র প্রিন্সপাল অফিসার রেজাউল করিম, মো. মুজিবুল ইসলাম তালুকদার ও প্রিন্সিপাল অফিসার মো. জাকিবুল ইসলাম। এ সময় তারা বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখেন।

এদিকে ব্যাংকের মূল্যবান কাগজপত্রসহ টাকা-পয়সা কোনো কিছুই খোয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন আশুগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হোসেন।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার কাজ শেষ হওয়ার পর শুক্রবার ও শনিবার ব্যাংক বন্ধ ছিল। শনিবার রাতে কাজের জন্য ব্যাংকে এসে ভেতর থেকে কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পরবর্তীতে পুলিশ নিরাপত্তা কর্মী রাজেশের মরদেহ উদ্ধার করে।

মোবাশ্বের আরো জানান, দুর্বৃত্তরা জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে ঢুকে টাকার ভল্ট ভাঙার চেষ্টা করে। ভল্টের হাতল ভাঙতে পারলেও লক ভাঙতে পারেনি। এজন্য তারা কিছুই নিতে পারেনি। তবে ম্যানেজারের কক্ষে থাকা একটি ল্যাপটপ পাওয়া যাচ্ছে না। রাজেশের মৃত্যুর ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা ও ব্যাংকের ভল্টের বিষয়ে একটি জিডি করা হবে।

বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জোনাল ম্যানেজার এবিএম জহিরুর হক বলেন, আমরা ব্যাংকের ভল্ট খুলে টাকা পয়সা, কাগজপত্রসহ সব কিছুই ঠিক পেয়েছি। দুর্বৃত্তরা ভল্ট ভাঙার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। এছাড়া আর কোনো কিছু অসংগতি আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আশুগঞ্জ থানার ওসি মো. জাবেদ মাহমুদ বলেন, শনিবার রাতেই ব্যাংক থেকে নিরাপত্তা কর্মী রাজেশের মরদেহ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মামলা দিলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর