সবুজ আমনের দোলায় দোলায় স্বপ্ন

সবুজ আমনের দোলায় দোলায় স্বপ্ন

ফেনী প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৩:০২ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০  

সবুজ পাতায় ভরে উঠেছে আমন ক্ষেত

সবুজ পাতায় ভরে উঠেছে আমন ক্ষেত

ফেনীর দাগনভূঞায় কয়েক হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও বর্ষায় পর্যাপ্ত পানি পেয়ে সবুজ ধানগাছে ভরে উঠেছে মাঠ। চারদিকে শুধু সবুজের সমারোহ। শীতল বাতাসে দুলছে সবুজ ধান গাছ। দেখা দিয়েছে আমনের বাম্পার ফলনের সম্ভবনা। আর এতেই স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন কৃষকরা।

এ বছর দাগনভূঞায় ৮ হাজার ৩১০ হেক্টর জমিতে আমন চাষ করা হয়েছে। কয়েক মাসের মধ্যেই কাঙ্ক্ষিত আমন ধান ঘরে তুলতে পারবেন বলে আশা কৃষকদের।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানায়, এ বছর ৮ হাজার ৩০৪ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও অর্জিত হয়েছে ৮ হাজার ৩১০ হেক্টর। এর মধ্যে ৪৫ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড ও ৮ হাজার ১৪৫ হেক্টর জমিতে উফশী জাতীয় রোপা আমন ধান চাষ করা হয়েছে।

ওই উপজেলার জায়লস্কর ইউপির বারাহিগোবিন্দ গ্রামের চাষি মাসুদুল হক চিশতী জানান, বোরো মৌসুমে ৬০ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছিলেন। এবার তার পুরো জমিতেই আমন চাষ করেছেন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পরামর্শে পরিচর্যা করেছেন। এতে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে।

পূর্ব চন্দ্রপুর ইউপির পশ্চিম-পূর্ব চন্দ্রপুরের আমন চাষি মো. ফারুক জানান, এবারের মৌসুমে ১০ বিঘা জমিতে হাইব্রিড ও উপশী জাতের আমন ধান চাষ করেছেন। অনুকূল আবহওয়াও পর্যাপ্ত বৃষ্টি হওয়ায় এবার ফলনের কোনো ক্ষতি হয়নি।

দাগনভূঞার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মারুফ জানান, কয়েক বছর ধরেই স্থানীয় জাতের ধানের আবাদ কমে উফশী জাতের আবাদ বেড়েছে। বেশি ফলন হওয়ায় কৃষকদের হাইব্রিড ও উফশীতে আগ্রহ বেড়েছে। এবারও বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. রাফিউল ইসলাম জানান, এ বছর উপজেলায় ২৩ হাজার ৮১২ মেট্রিক টন আমন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এ লক্ষ্য অর্জনে ১৫ জন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সার্বক্ষণিক জমিতে গিয়ে ফসলের তদারকি করছেন। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর