কক্সবাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছে আড়াই’শ বেওয়ারিশ ঘোড়া

কক্সবাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছে আড়াই’শ বেওয়ারিশ ঘোড়া

ফাতেমা তুজ জোহরা ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৩:৪২ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৩:৪৭ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

রোজগারের ক্ষমতা না থাকায় এভাবেই অযত্নে ঘুরে বেড়াচ্ছে ঘোড়া

রোজগারের ক্ষমতা না থাকায় এভাবেই অযত্নে ঘুরে বেড়াচ্ছে ঘোড়া

সমুদ্রের পাড়ে ঘুরতে গিয়ে অনেক পর্যটকই শখের বশে ঘোড়ায় চড়েন। সমুদ্রের পাড় ঘেঁষে এগিয়ে চলেন। সেই ঘোড়াকেই আবার শহরে জরাজীর্ণ এবং অসহায় অবস্থায় ঘুরতে দেখা যায়। 

একসময় পর্যটক বা মালামাল বহন করলেও এখন বয়সের ভারে দূর্বল হয়ে গেছে সৈকতের পাড়ের অসংখ্য ঘোড়া। তাই মালিকরাও আর ভরণপোষণ দিচ্ছেন না। অযত্নে অবহেলায় মালিকানাবিহীন হয়ে সৈকতের ঘুরে বেড়ায় তারা।

কক্সবাজারের ঘোড়া

জানা গেছে, এই ঘোড়া থেকে আয় করা অর্থ মালিক আর শ্রমিকদের মধ্যে ভাগাভাগি হয়ে যায়। ফলে অভুক্ত থেকে যায় নিরীহ ঘোড়াগুলো। 

পরিবেশ কর্মীদের মতে, এই মালিকানাবিহীন ঘোড়াগুলোই একসময় সমুদ্রপাড়ের পর্যটকদের আনন্দ দিতো। আর এর সঙ্গে সম্পৃক্ত মালিক ও শ্রমিকরা সেই আয় দিয়েই চলতো। কিন্তু সারাদিনের এতো পরিশ্রমের তুলনায় ঘোড়াগুলোকে খাবার দেয়া হতো না। ফলে রাস্তায় পড়ে থাকা আবর্জনা খেয়েই বাঁচতো তারা।

অসহায় ঘোড়া

পরিবেশ কর্মীরা আরো জানান, অনাহারে বয়সের ভারে একসময় ঘোড়াগুলো দূর্বল হয়ে পড়ে। মালিকরা তখন সেগুলো রাস্তায় ছেড়ে দেন। কক্সবাজারে এমন অনেক ঘোড়া ঘুড়ে বেড়াতে দেখা যায়। অধিকাংশের গায়ের পশম, চামড়া উঠে গেছে, বিভিন্নভাবে পাওয়া আঘাতে জর্জরিত তাদের শরীর। এমনকি ঘোড়ার মরদেহও অনেক সময় রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।

অসহায় ঘোড়া

তবে ভিন্ন কথা শোনা যায় মালিকদের মুখে। তারা জানান, ঘোড়াগুলোর বয়স হয়ে গেছে তাই মাঝে মধ্যে রাস্তায় ছেড়ে দেয়া হয়। এতে তাদের মন প্রফুল্ল থাকে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস