বাঁচানো গেল না শিক্ষার আলো ছড়ানো সেই বিদ্যালয়টি

বাঁচানো গেল না শিক্ষার আলো ছড়ানো সেই বিদ্যালয়টি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০০:২১ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০  

শিক্ষার আলো ছড়ানো সেই মেখলির চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

শিক্ষার আলো ছড়ানো সেই মেখলির চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

অবশেষে ধরলার চলমান ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হলো কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার মেখলির চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। স্থানীয়দের বিভিন্ন উদ্যোগেও শেষ রক্ষা হল না ৩০ বছর ধরে চরাঞ্চলে আলো ছড়ানো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির।

বুধবার বিদ্যালয়ের শেষ অংশটুকু ধরলায় বিলীন হয়ে যায়। মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের বেশিরভাগ অংশ নদীতে ধসে পড়ে। এই দৃশ্য অশ্রুসিক্ত নয়নে দাঁড়িয়ে দেখেছেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকসহ অসংখ্য স্থানীয় মানুষ। এলাকার একমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় সন্তানদের পড়ালেখা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন অভিভাবকরা। একই সঙ্গে বিলীন হয়েছে মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠসহ অর্ধশত বাড়িঘর।

আরো পড়ুন: ক্লিনিকের বিল পরিশোধ করতে না পেরে সন্তান বিক্রি করেন মা

স্থানীয় বাসিন্দা বছির উদ্দিন, দুলাল মিয়া, আবদার আলী ও আলম মিয়া জানান, ধরলা কিছুই রাখল না। বাড়িঘর শেষ, আবাদি জমি শেষ। সন্তানদের পড়ালেখা করার বিদ্যালয়টিও টিকল না। আগেই নদীগর্ভে মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠ চলে যায়। প্রায় এক মাস আগে ইউএনও, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান, পিআইও ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা পরিদর্শনে এলেও বিদ্যালয়ের ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

ইউএনও তৌহিদুর রহমান বলেন, এলাকাটি পরিদর্শন করে ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন। পরে নিয়েছেন কি-না জানি না।

আরো পড়ুন: পটুয়াখালীতে উন্নয়ন কাজে শতকোটি টাকার দুর্নীতি, দুদকের তদন্ত শুরু

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয় ভবনটি পরিদর্শন করে ৫০০ জিওব্যাগ পাঠানো হয়। কিন্তু সময় মতো স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের জানায়নি। যখন জানায় তখন করার কিছুই করার ছিল না আমাদের। তবু চেষ্টা চলছে। এলাকাটি রক্ষার চেষ্টা করব আমরা।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম