চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরের কার্যক্রম বন্ধ

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরের কার্যক্রম বন্ধ

চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৪:১৫ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৪:১৬ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে খালাসের অপেক্ষায় থাকা মাদার ভ্যাসেলের পাশে ভিড়তে পারছে না লাইটারেজ জাহাজ। ফলে বন্ধ রয়েছে বহির্নোঙরের সব কার্যক্রম। এ অবস্থায় সাগর শান্ত না হওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বন্দর সূত্র জানায়, গত তিন দিন ধরে সাগর উত্তাল থাকায় বহির্নোঙরে অবস্থান করা বিশ লাখ টনেরও বেশি পণ্য বোঝাই ৪৪টি বড় জাহাজের পাশে নোঙর করতে পারছে না কোনো লাইটারেজ জাহাজ। এর ফলে খালাস কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে এবং বহির্নোঙরে যাওয়া লাইটারেজ জাহাজগুলো নিরাপদ স্থানে অবস্থান করছে।

এক আমদানিকারক বলেন, বহির্নোঙরে থাকা ৪৪টি জাহাজে ডাল, তেল, চিনি, পাথর, ক্লিংকারসহ বিভিন্ন ধরনের বিশ লাখ টনেরও বেশি পণ্য রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেসব পণ্য খালাস করতে না পারায় লাখ লাখ টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন আমদানিকারকরা।

তিনি আরো বলেন, পণ্য বোঝাই একটি বড় জাহাজ একদিন অলস বসে থাকলে ফিক্সড অপারেটিং কস্ট (এফওসি) বাবদ প্রায় সাড়ে ১৭ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হয় আমদানিকারককে। ফলে বর্তমানে বহির্নোঙরে অলস বসে থাকা সব জাহাজ মিলিয়ে প্রতিদিন অন্তত ৮ কোটি টাকা গচ্ছা দিতে হচ্ছে। এতে করে বহির্নোঙরে প্রতিদিন অলস জাহাজের সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে ক্ষতির পরিমাণও।

চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, সাগর উত্তালের বিষয়টি প্রাকৃতিক। এতে কারো হাত নেই। দ্রুত পণ্য খালাস করে জাহাজ বিদায় করতে পারলে আমাদেরই লাভ। এতে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হয়। কিন্তু এখন বহির্নোঙরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় আমরাই ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি। সাগর শান্ত হলে শিগগিরই কার্যক্রম শুরু করা যাবে বলে আশা করছি।

চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ শেখ ফরিদ আহমেদ বলেন, উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ায় ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কায় সমুদ্র বন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে। আরো অন্তত দুইদিন সাগরের এ অবস্থা থাকবে।
 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে