গোমতী নদীর বালু উত্তোলন: ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

গোমতী নদীর বালু উত্তোলন: ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

কুমিল্লা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৩:১৩ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০  

গোমতী নদী থেকে বালু উত্তোলন

গোমতী নদী থেকে বালু উত্তোলন

কুমিল্লায় গোমতী নদীর বালুমহাল দখল করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে মামলা হয়েছে। রোববার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স এম. রহমানের মালিক ও গোমতী নদীর বালুমহালের পাঁচটি অংশের ইজারাদার মাহবুবুর রহমান।

এ মামলার আসামিরা হলেন- আরফানুল হক রিফাত, সৈয়দ মোহাম্মদ সোহেল, হাসান রাফি রাজু, আমীর হোসেন, শাহজাদা টুটুল, হাফিজুল ইসলাম, সাইফুল, নুরুজ্জামান শরমিনসহ ১২ জন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাসুদ সালাউদ্দিন বলেন, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বাদীর জবানবন্দি নিয়েছে। তবে রোববার রাত পর্যন্ত আমরা আদালতের কোনো আদেশ পাইনি। আশা করছি এ ঘটনায় ন্যায় বিচার পাব।

মামলার বাদী মাহবুবুর রহমান বলেন, আরফানুল হক রিফাত ও তার লোকজন অবৈধভাবে গোমতী নদীর ১৩টি ঘাটে ২৫টি নৌকা দিয়ে ৩০ লাখ ঘনফুটের বেশি বালু উত্তোলন করছেন। যার মূল্য দুই কোটি ৭০ লাখ টাকা। কিন্তু আমি বৈধ ইজারাদার হয়েও অবৈধ দখলকারীদের তৎপরতার কারণে ঠিকমতো নদী থেকে বালু উত্তোলন করতে পারছি না। আমার কর্মীরা ইজারাস্থানে গেলে তাদের হুমকি দেয়া হচ্ছে। তাদের ভয়ে আমার লোকজন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তারা যেকোনো সময় আমার কর্মীদের প্রাণহানি ঘটাতে পারে। এ কারণে আমি মামলা করেছি।

২০০৯ সাল থেকে আরফানুল হক রিফাতের নিয়ন্ত্রণে এই বালুমহালগুলো পরিচালিত হচ্ছিল। চলতি বছর ছয়টি ঘাটের মধ্যে পাঁচটির টেন্ডারের সর্বোচ্চ দরদাতা হয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম. রহমান।

মামলার আসামি আরফানুল হক রিফাত জানান, ইজারাপ্রাপ্ত ঠিকাদারের ইজারায় অংশগ্রহণের কাগজপত্র বৈধ নয়। টেন্ডার প্রক্রিয়াও সঠিকভানে সম্পন্ন হয়নি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর