পাহাড়পুর বাজারে অগ্নিকাণ্ড, ৩০ কোটি টাকার ক্ষতি

পাহাড়পুর বাজারে অগ্নিকাণ্ড, ৩০ কোটি টাকার ক্ষতি

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২৩:৩০ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ২৩:৩৮ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

পাহাড়পুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩৯টি দোকান পুড়ে গেছে

পাহাড়পুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩৯টি দোকান পুড়ে গেছে

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পাহাড়পুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় বাজারের ৩৯টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে ৩০ কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। 

শুক্রবার বিকেল ৫ টার দিকে পাহাড়পুর বাজারের ব্যবসায়ী বিষ্ণুপদ দাসের মালিকাধীন একটি জালের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানা গেছে। 

আজমিরীগঞ্জ থানার (ওসি) তদন্ত আবু হানিফ জানান, বিষ্ণুপদ দাসের ওই দোকানটি বন্ধ থাকাবস্থায় আগুন লাগে। কোনো কিছু বুঝার আগেই মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা চার দিকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে একেক করে পুড়তে থাকে দোকানগুলো। 

যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল না থাকায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছতে বেগ পেতে হয়েছে। রাত ৮ টার দিকে নবীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগীতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। 

ওসি আরো জানান, অগ্নিকাণ্ডে ৩৯টি দোকান পুড়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা প্রাথমিকভাবে দাবি করছেন তাদের ৩০ কোটি টাকার মতো ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত সম্পর্কে এখনো কোনো কিছু যানা যায়নি।

পুড়ে যাওয়া দোকানগুলো হলো- বিশ্ব দাসের মাতৃভান্ডার, হরিদাসের জনতা স্টোর, বীরেন্দ্র দাসের কারেন্ট জালের দোকান, রাতুল তালুকদারের দোকান, পৃথিশ বৈষ্ণবের মুদী দোকান, রণ বৈষ্ণবের কাপড়ের দোকান, জয়হরি দাসের কাপড়ের দোকান, কবিন্দ্র দাসের কাপড় ও জালের দোকান, গোপাল দাস (মেম্বার) এর জালের দোকান, শিবু দাসের ঢেউ টিনের দোকান, জগদীশ বৈষ্ণবের কাপড়ের দোকান, মনু দাসের চালের দোকান, সুবল দাসের কাপড়ের দোকান, সুকুমার দাসের কাপড়ের দোকান, বিধান দাসের কাপড়ের দোকান, বিন্দু চন্দ্র দাসের কাপড়ের দোকান, সত্যেন্দ্র দাসের মুদী দোকান, ব্রজেন্দ্র দাসের এ্যালুমিনিয়ামের দোকান। 

আজমিরীগঞ্জের ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত) উত্তম কুমার দাস জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে ছুটে যাই এবং পরিদর্শন করি। ব্যবসায়ীদের দাবি ৩৯টি দোকানের প্রায় ৩০ কোটি টাকার মত ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। এরইমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর তালিকা তৈরি করা হয়েছে। পরবর্তী সহযোগিতার জন্য তালিকাটি জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হবে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে