নালায় ফেলা হলো ‘জিলাপি’র রং, উৎসুক জনতার ভিড়

নালায় ফেলা হলো ‘জিলাপি’র রং, উৎসুক জনতার ভিড়

চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৮:১৬ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০  

নালায় ফেলে ধ্বংস করা হয় ‘জিলাপি’র রং নামে পরিচিত ৭-৮ কেজি সুতা রাঙানোর রং

নালায় ফেলে ধ্বংস করা হয় ‘জিলাপি’র রং নামে পরিচিত ৭-৮ কেজি সুতা রাঙানোর রং

চট্টগ্রাম নগরীর কর্নেলহাট ও অক্সিজেন মোড়ে বাজার তদারকি করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। এ সময় ‘জিলাপি’র রং নামে পরিচিত ৭-৮ কেজি টেক্সটাইল কারখানায় সুতা রাঙানোর রং নালায় ফেলে ধ্বংস করা হয়েছে। রং নালায় ফেলার পর পানি লাল হয়ে যায়। রঙিন পানি দেখতে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা।   

শুক্রবার দুই বাজারে পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান ও বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহ।

মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানান, ফুড কালারের দাম বেশি হওয়ায় খাবারে ব্যবহার করা হয় টেক্সটাইল কারখানায় সুতা রাঙানোর রং। ‘জিলাপি’র রং নামে তুলনামূলক সস্তায় বিক্রি হয় মুদি দোকানে। জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি বিবেচিত হওয়ায় বাজার তদারকির সময় ৭-৮ কেজি রং উদ্ধার করে নালায় ফেলে ধ্বংস করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, কর্নেলহাটের জামাল অ্যান্ড ব্রাদার্সকে তালিকায় মূল্য না লিখে পেঁয়াজ বিক্রি, মেয়াদোত্তীর্ণ ঘি সংরক্ষণ এবং অননুমোদিত রং ও কেমিক্যাল রাখায় ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় এনএ এন্টারপ্রাইজ ও রাম ভাণ্ডারকে তিন হাজার টাকা জরিমানা ও সতর্ক করা হয়েছে।

অক্সিজেন মোড় বাজারে অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহ জানান, বাজারের পাইকারি ও খুচরা পেঁয়াজ বিক্রেতাদের মূল্য তালিকা ও পেঁয়াজ কেনার রশিদ পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এসএস ট্রেডার্সকে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা ও ফ্রিজে বাসি খাবার সংরক্ষণ করায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও বাসি খাবার ধ্বংস করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর