নেতায় নিরাশ মেহেরপুর বিএনপির তৃণমূল, ছাড়ছেন দল

নেতায় নিরাশ মেহেরপুর বিএনপির তৃণমূল, ছাড়ছেন দল

মেহেরপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৩৯ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন না করা ও জেলা কমিটিতে পদ না দেয়া নিয়ে মেহেরপুর বিএনপিতে অসন্তোষ বিরাজ করছে। অসন্তোষের কারণে সৃষ্টি হয়েছে গ্রুপিং। জেলার নেতাদের প্রতি নিরাশ হয়ে দল ছাড়ছেন তৃণমূলের কর্মীরা।

জানা গেছে, ২০০১-২০০৫ সাল পর্যন্ত জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন মাসুদ অরুণ। ওই সময় মেহেরপুর-১ আসনের এমপিও ছিলেন তিনি। এমপি হওয়ার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয় দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের নয়, ওয়ার্কাস পার্টির নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন করছেন। এমন অভিযোগ তুলে জেলার বেশ কয়েকজন নেতা তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন।

এরপর জেলা বিএনপি চলে যায় আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে। তিনি প্রায় আট বছর সভাপতি ছিলেন। কয়েক বছর শান্ত থাকলেও ২০১৮ সালে শুরু হয় কোন্দল। মাসুদ অরুণকে জেলা কমিটির সভাপতি ও গাংনীর জাভেদ মাসুদ মিল্টনকে সাধারণ সম্পাদক করতে মরিয়া হয়ে উঠে একাংশের নেতা-কর্মীরা। অন্যদিকে আমজাদ হোসেন ফের সভাপতি পদ বাগিয়ে নিতে ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত তিনি হন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক। আর মাসুদ অরুণ হন সভাপতি ও জাভেদ মাসুদ মিল্টন হন সিনিয়র সহ-সভাপতি।

স্থানীয় বাসিন্দা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোখলেছুর রহমান বলেন, টানা তিনবার ক্ষমতার বাইরে থাকায় বিএনপি কোমর সোজা করে দাঁড়াতে পারছে না। দলের দুঃসময়ে কর্মীরা যেমন পাশে দাঁড়ায়। আবার কর্মীদের দুঃসময়েও দলকে পাশে দাঁড়াতে হয়। সেদিক থেকে বিএনপির ফলাফল শূন্য।  

জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রোমানা আহমেদ রুমা বলেন, বিএনপি একটি বৃহৎ দল। কমিটি গঠনকালে দলীয় পদ নিয়ে কেউ কেউ অসন্তুষ্ট ছিল সত্য। কিন্তু বর্তমানে দলের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই।

মেহেরপুর বিএনপির সভাপতি মাসুদ অরুন বলেন, নেতা-কর্মীদের কারো কারো ব্যক্তিগত কিছু সমস্যা থাকলেও জেলা কমিটিতে কোনো বিভেদ নেই। করোনাভাইরাস মহামারিতে কর্মসূচি নিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি। নির্দেশনা পেলেই আমাদের কর্মসূচি শুরু হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ