একশ’ কোটি টাকায় স্বপ্নপূরণ হচ্ছে লাখো মানুষের

একশ’ কোটি টাকায় স্বপ্নপূরণ হচ্ছে লাখো মানুষের

এইচএম ফরিদুল আলম শাহীন, কক্সবাজার ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১২:৪৫ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৭:৫২ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন বেড়িবাঁধ

১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন বেড়িবাঁধ

বদলে যাচ্ছে উপকূলীয় উপজেলা কক্সবাজারের পেকুয়া। উপজেলার মগনামায় সাড়ে ৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। টেকসই পরিবেশবান্ধব মাটির বাঁধের ওপর সারিবদ্ধ পাকা ব্লক বসানো হচ্ছে।

১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন বেড়িবাঁধটি ১০ প্যাকেজে ভাগ করা হয়েছে। এর ফলে লক্ষাধিক মানুষ প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

শুধু তাই নয় পেকুয়ায় প্রস্তাবিত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলও রক্ষা পেয়েছে বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়সহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে। এরইমধ্যে ৯৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। বসানো হয়েছে ৪ লাখ পাথরের পাকা ব্লক। 

আরো পড়ুন >>> ৬ মেয়ে হওয়ায় ছেড়ে গেছেন বাবা, কলেজে ভর্তি নিয়ে আশঙ্কায় দুইবোন

এর আগে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধের নির্মাণ কাজ শুরু হয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে। উন্নয়ন ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, মোস্তফা অ্যান্ড সন্স ও ইউনুস অ্যান্ড ব্রাদার্স বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ করছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে কাজ সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন বেড়িবাঁধউন্নয়ন ইন্টারন্যাশনালের পরিচালক আতিকুল ইসলাম বলেন, নির্ধারিত সময়সীমার আগেই কাজ বুঝিয়ে দেয়া সম্ভব হবে। 

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিম ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, প্রতি বছর মগনামাসহ পাঁচটি ইউপি বর্ষা মৌসুমে নড়বড়ে মাটির বেড়িবাঁধ ভেঙে জোয়ার ভাটা ও জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতো। এতে ফসল, চিংড়ি ঘের, কাঁচা ঘর বাড়ি ও লবণ সাগরে ভেসে যেত। এ কারণে এই ঝুঁকিপূর্ণ সাড়ে ৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের ব্লক বসানোর ফলে লক্ষাধিক মানুষের জানমাল রক্ষা পেয়েছে। 

কক্সবাজারের পেকুয়ায় মগনামায় সাড়ে ৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে

পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী গিয়াস উদ্দিন জানান, কড়া নজরদারিতে থাকায় বাঁধের সামগ্রিক নির্মাণ কাজ ভালোই হয়েছে। বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসানের নেতৃত্বে বাঁধের নির্মাণ কাজ চলছে। এরই মধ্যে ৯৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানসমূহ কাজ বুঝিয়ে দিতে পারবেন। 

আরো পড়ুন >>> দাম বেড়েছে ইলিশের, মন খারাপ জেলেদের

চকরিয়া-পেকুয়ার এমপি জাফর আলম বলেন, নির্মাণাধীন বেড়িবাঁধ এলাকা অনেকবার পরিদর্শন করেছি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজের গতি ও গুণগতমান সন্তোষজনক। উপকূলীয় উপজেলা পেকুয়াকে সাগরের ভাঙন থেকে স্থায়ীভাবে নিরাপদ করা হবে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে/টিআরএইচ/এইচএন/এসআই