কুড়িগ্রামে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ধরলার পানি 

কুড়িগ্রামে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ধরলার পানি 

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৩৪ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০  

কুড়িগ্রাম ফেরিঘাট পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে

কুড়িগ্রাম ফেরিঘাট পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে

উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কুড়িগ্রাম ফেরিঘাট পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বুধবার সকালে ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় কুড়িগ্রাম ফেরিঘাট পয়েন্টে। এর ফলে সদর, ফুলবাড়ী ও রাজারহাট উপজেলার শিমুলবাড়ী, বড়ভিটা, ভাঙ্গামোড়, ছিনাই, কাঁঠালবাড়ী, হোলোখানা, ভোগডাঙ্গা, পাঁচগাছি, বেগমগঞ্জ ও মোগলবাসা ইউপির নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘন্টায় ধরলার কুড়িগ্রাম ফেরিঘাট পয়েন্টে ৩৮ সেন্টিমিটার পানি বেড়ে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তার কাউনিয়া পয়েন্টে ৮ সেন্টিমিটার এবং ব্রহ্মপুত্রের চিলমারী পয়েন্টে ২৩ সেন্টিমিটার ও নুনখাওয়া পয়েন্টে ৩০ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে।  

অস্বাভাবিকভাবে পানি বাড়ার সঙ্গে সদর উপজেলার হোলোখানা ইউপির সারডোব, ভোগডাঙ্গা ইউপির জগমোহনের চর এবং মোগলবাসা ইউপির সন্ন্যাসী এলাকায় ধরলা নদীর ভাঙন শুরু হয়েছে।  

ভোগডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান জানান, ভাঙনে জগমোহনের চর এলাকায় ভিটেমাটি, আবাদি জমি ও গাছপালা বিলীন হয়ে যাচ্ছে। গত দুই দিনে অনেক পরিবার ভিটে মাটি হারিয়ে গৃহহীন হয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানান, নদ-নদীগুলোতে আরো দুই তিন দিন পানি বাড়া অব্যাহত থাকতে পারে। তারপরও বড় ধরণের বন্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই। ভাঙন কবলিত এলাকাগুলোতে জরুরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে