শিশু সুহাইমা তাকিয়া হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

শিশু সুহাইমা তাকিয়া হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:৩৮ ২৪ জানুয়ারি ২০২১  

ডাক্তার, নার্সদের দ্বায়িত্ব অবহেলায় শিশু সুহাইমা তাকিয়ার মৃত্যুর অভিযোগে মানববন্ধন

ডাক্তার, নার্সদের দ্বায়িত্ব অবহেলায় শিশু সুহাইমা তাকিয়ার মৃত্যুর অভিযোগে মানববন্ধন

উত্তরা আধুনিক মেডিকেলের ডাক্তার, নার্সদের দ্বায়িত্ব অবহেলায় শিশু সুহাইমা তাকিয়ার মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার রাজধানীর উত্তরায় 'উত্তরা আধুনিক মেডিকেল' এর সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে এ অভিযোগ তোলেন শিশু সুহাইমার পরিবার। 

শিশু সুহাইমার পরিবারের দাবি, হাসপাতালটির চিকিৎসক ও নার্সদের দায়িত্বে অবহেলার কারণেই শিশু সুহাইমা তাকিয়ার মৃত্যু হয়।

সুহাইমার বাবা জুয়েল হোসেন বলেন, চিকিৎসকদের ভুল চিকিৎসা, নার্সদের আবহেলার কারণে তার আদরের সন্তানের আজ এই করুণ পরিনতি। ভুল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশন দেয়ার কারণে সুহাইমার মৃত্যু হয়েছে।

তিনি বলেন, কোনো রকম ইনসেটিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) সেবা দেয়া হয়নি। এর জন্য পুরো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দায়ী এবং হাসপাতালের পরিচালকসহ সবাই এ বিষয়ে জানে। নিজেদের অপকর্ম ঢাকার জন্য এবং বিষয়টিকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য নিজেদের পছন্দের লোক দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে মনগড়া রিপোর্ট দিয়েছেন তারা। 

এ ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করে এর সুষ্ঠু বিচার এবং জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোড় দাবি জানান শিশুটির পরিবারের সদস্যরা। 

নিহত শিশু সুহাইমার মামা নিখিল বলেন, হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট থানায় যোগাযোগ করা হলে তারা কাল ক্ষেপন করে বিষয়টিকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছেন এবং মামলা ও আইনের আশ্রয় নীতে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করেছে। আমরা একাধিক বার নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করলেও আমাদের পক্ষে কোনো রকম অভিযোগ নেয়া হচ্ছে না। 

এসময় মানববন্ধনে নিহত শিশু সুহাইমার পরিবার, আত্মীয় স্বজন ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, গত ৬ জানুয়ারি পানিশূন্যতার উপসর্গ নিয়ে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডের ভর্তি করা হয় শিশু সুহাইমা তাকিয়া কে। ৭ জানুয়ারি অবস্থার কিছুটা উন্নতি ঘটে। এ সময় সুহাইমার পরিবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে রিলিজ চাইলে শুক্রবার হাসপাতালে রিলিজ হয় না বলে জানিয়ে দেন। পরে শনিবার শিশু সুহাইমার অবস্থা অবনতি ঘটে এবং সকাল ১১টার দিকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএএম/ইকেডি