ছন্দপতনের কারণ খুঁজতে ব্যস্ত বিএনপি

ছন্দপতনের কারণ খুঁজতে ব্যস্ত বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:১৫ ১২ আগস্ট ২০২২   আপডেট: ১৬:৪০ ১২ আগস্ট ২০২২

বিএনপির লোগো

বিএনপির লোগো

রাজনৈতিক দুর্দশা, নেতৃত্বের ব্যর্থতা ও জনগণের সমর্থন হারানোর কারণে ১৫ বছর ধরে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বাইরে আছে বিএনপি। ক্ষমতার স্বাদ না পাওয়া এবং রাজনীতির নামে সুবিধা আদায় করতে না পারায় বিএনপি ত্যাগ করা নেতাদের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে।

এ কারণে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে, বিএনপির এ রাজনৈতিক ছন্দপতন ও ব্যর্থতার কারণ কী?

এছাড়া দলটির রাজনৈতিক দৈন্যদশায় প্রশ্ন উঠছে, আগামীতে কি বিএনপি জনগণের দল হিসেবে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে? ব্যর্থতা ও দুর্নীতির অভিশাপ মোচন করে বিএনপি কি পারবে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে?

জানা গেছে, এমন সব প্রশ্নে প্রতিনিয়ত জর্জরিত হচ্ছেন বিএনপি নেতারা। তারা এসব প্রশ্নের সদুত্তরও দিতে পারছেন না। হঠাৎ এমন ছন্দপতনের কারণ খুঁজতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলছে দলটির হাইকমান্ড।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, নিজেদের রাজপথের বিরোধী দল দাবি করলেও বিগত ৫ বছরে রাজপথকেন্দ্রিক কোনো কর্মসূচি পালন করেনি বিএনপি। জনস্বার্থ তো দূরের কথা নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্যও দলটির নেতাকর্মীরা রাজপথে নামতে পারছেন না। প্রেসক্লাব আর হলরুমকেন্দ্রিক চলে তাদের কর্মসূচি। বলা যায়, দুইবার রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা বিএনপি এখন ঘরোয়া পার্টিতে পরিণত হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিএনপির বর্তমান দুরবস্থার পেছনে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও কিছু কথিত বুদ্ধিজীবী দায়ী। বিএনপিপন্থী এসব বুদ্ধিজীবী মাঝে মধ্যে চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে বিভ্রান্তমূলক পরামর্শ দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। তথাকথিত বুদ্ধিজীবীদের ধার করা বুদ্ধিতে চলতে গিয়ে বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দিয়েছেন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান- এমনটাই মনে করেন বিএনপি ত্যাগ করা নেতারা।

তারা মনে করেন, মূলত প্রাতিষ্ঠানিক ও রাজনৈতিক শিক্ষার অভাবের কারণে  খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান পরনির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। এ কারণেই দলের এই দূরবস্থা। বিপথগামী একদল চাটুকারের কারণে বিএনপি আজ ব্যর্থ দলে পরিণত হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর