নীতিনির্ধারকদের নজরদারিতে মির্জা ফখরুল

নীতিনির্ধারকদের নজরদারিতে মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১২:৩৩ ১০ জানুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৩:১৬ ১০ জানুয়ারি ২০২১

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর- ফাইল ছবি

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর- ফাইল ছবি

সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ব্যর্থতা ও দলের দুরবস্থার কারণে নীতিনির্ধারকদের নজরদারিতে আছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

দলীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভরাডুবি, ২০ দলকে পাশ কাটিয়ে ঐক্যফ্রন্ট গঠন ও খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনসহ বেশ কিছু ইস্যুতে যথাযথ ভূমিকা পালন করতে না পারায় দলের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছেন বিএনপির মহাসচিব। ফলে দলের নীতিনির্ধারকরা এখন তাকে কড়া নজরদারিতে রেখেছেন।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং সংসদে যোগদান সবকিছুতেই মহাসচিবের সিদ্ধান্ত মানা হলেও তাতে দলের কোনো লাভ হয়নি। বরং উল্টো দলের ভাবমূর্তি অধিকতর বিনষ্ট হয়েছে। জানা যায়, এসব কারণেই দলের নীতিনির্ধারকরা এখন আর তার কোনো সিদ্ধান্ত মেনে কাজ, এমনকি তাকে বিশ্বাসও করছেন না। ফলে মহাসচিব পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে বলে সর্বত্র গুঞ্জন উঠেছে।

এমতাবস্থায়, ব্যর্থতা ও অসম্মানের গ্লানি নিয়ে মহাসচিব (মির্জা আলমগীর) নিজেও বিএনপির রাজনীতি থেকে একটু দূরে থাকার চেষ্টা করছেন। দল থেকে অবমূল্যায়ন ও অবহেলার কারণেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

পরিচয় গোপন রাখার শর্তে দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এক নেতা জানান, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সিদ্ধান্ত নিতে না পারায় দলের সব ব্যর্থতা তার উপরই বর্তায়। তিনি কোনোভাবেই সবকিছুর দায় এড়াতে পারেন না।

এ বিষয়ে বিএনপিপন্থী রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অনেক আগেই বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ করা উচিত ছিল। কেননা বিএনপির মধ্যে এখন শৃঙ্খলা এবং চেইন অফ কমান্ড কোনোটিই নেই। কেউ তাকে মহাসচিব বলে মানেনও না। দলে তার সিদ্ধান্তের কোনো মূল্য নেই। শুধু খালেদা ও তারেক রহমানের আদেশ পালনে বাধ্যকতার কারণে মির্জা ফখরুল একজন পুতুল মহাসচিবে পরিণত হয়েছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএএম/আরএইচ/এইচএন