দ্য গ্রেট গ্যাটসবি: প্রেম এক জাদুকরি শিল্প

দ্য গ্রেট গ্যাটসবি: প্রেম এক জাদুকরি শিল্প

ফারহানা রহমান  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৩:৪৩ ১৯ জুলাই ২০২১   আপডেট: ১৪:৪৫ ১৯ জুলাই ২০২১

ফারহানা রহমান

ফারহানা রহমান

পাঠের নেশা থাকলে ভালো উপন্যাস পড়ে অভিভূত না হয়ে কেউ পারে? স্কট ফিটসেলাল্ডের উপন্যাস ‘দ্য গ্রেট গ্যাটসবি’ তেমনই এক উপন্যাস, যা বহুদিন মনের ভেতর আবেশ ছড়ায়। ভালোবাসার এসব বিস্ময়কর উপাখ্যান নারী-পুরুষের চিরন্তন সম্পর্ক ‘প্রেম’ নিয়ে বিস্তর বিশ্লেষণ করে চলে। আর আমাকে ভাবতে বাধ্য করে নারী-পুরুষের প্রেমাসক্ত অনুভূতির মাত্রা  ভিন্ন কি না, তা নিয়ে। অথবা স্থান-কালভেদে ভিন্ন কোনো প্রভাব পড়ে কি না, তা নিয়ে ভাবতে।

‘দ্য গ্রেট গ্যাটসবি’ উপন্যাসের কাহিনি মূলত গ্যাটসবি নামের একজন নব্য ধনাঢ্য ব্যক্তিকে নিয়ে, যিনি তার প্রেমের জন্য জীবন পর্যন্ত উৎসর্গ করেন। গ্যাটসবির বন্ধু নিক ক্যারাওয়ে, ওয়াল স্ট্রিটের একজন ট্রেডার ও লেখক। অ্যাকোহলিক ও  ইনসোমেনিক চিকিৎসার জন্য একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে অবস্থান করেন নিক। এক সময় চিকিৎসকের কাছে অতীত জীবনের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি নস্টালজিক হয়ে পড়েন। চোখের সামনে ভেসে উঠতে দেখেন, অতীত জীবনের একটি গল্প। ১৯১২ সালের সামারের দিনগুলোতে তিনি আমেরিকার লং আইল্যান্ডের উপসাগরের পাশে একটি বাড়িতে বসবাসের জন্য স্থায়ী হন। বাড়িটির চারপাশে ছিল অসংখ্য গাছপালা। গ্রীষ্মকালে লোকেরা যখন সমুদ্রতীরে আনন্দ অনুষ্ঠান করতো, নিক তখন সেসব তার বারান্দা থেকে দেখতে পেতেন। মাঝে মাঝে নিকের একটি বিশেষ অনুভূতি হতো, কেউ একজন সারাক্ষণ আড়াল থেকে যেন তাকে দেখছে।

একদিন তিনি পাশের বাড়ি, যেটা  ছিল একটি বিশাল প্রাসাদ, সেখানকার একটি জানালা দিয়ে একজনকে লুকিয়ে তার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখলেন। নিকের বুঝতে বাকি রইলো না, এই সেই লোক; যার নাম জে গ্যাটসবি, লোকটা একাই থাকে। বেশিরভাগ সময় পার্টি করে আর হৈ চৈ নিয়ে থাকতে  ভালোবাসে।

সামারের শুরুতেই গেটবির পার্টিতে আমন্ত্রিত হন নিক। সেখানেই তার সঙ্গে পরিচয় হয় জর্ডান বেকারের। পরিচয় হয় বিস্ময়কর নিঃসঙ্গ যুবক গ্যাটসবির সঙ্গেও। মহাযুদ্ধের সময় একই ডিভিশনে যুদ্ধ করেছিলেন বলে নিককে মুহূর্তেই চিনে ফেলেন গ্যাটসবি। পরবর্তী সময়ে জর্ডানের মাধ্যমেই নিক জানতে পারেন যে, ১৯১৭ সালে যেসব তরুণ অফিসার ইউরোপের জন্য কাজ করতেন, তাদের সঙ্গেই নিকের কাজিন ডেজি ও তার বন্ধুরা ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। আর তখনই সৌভাগ্যক্রমে গ্যাটসবি ও ডেজির দেখা হয়ে যায়।

প্রথম দেখাতেই ডেজির প্রতি ভীষণভাবে অনুরক্ত হয়ে পড়েন গ্যাটসবি। আর সেই প্রগাঢ় ভালোবাসার অনুভূতি এখনো ঠিক আগের মতোই আছে। ডেজির সব স্বপ্ন পূরণ করার তীব্র বাসনা নিয়ে তিনি তার জীবন অতিবাহিত করছেন। জর্ডান আরো জানান যে, গ্যাটসবি উপসাগরের উপকূলে যে প্রাসাদ কিনেছেন, তার একমাত্র কারণ হচ্ছে ডেজি ও টমের বাড়ি ঠিক এর বিপরীত দিকে অবস্থিত। শুধু ডেইজির নজর কাড়ার জন্যই তিনি এতসব বন্য ও উদ্ভ্রান্ত পার্টি করে থাকেন। গ্যাটসবির মনে একটি গোপন আশা ছিল যে, ডেজি কোনো একদিন কৌতূহলী হয়ে তার আঙিনায় পা দেবেন। তিনি তখন তার সামনে নিজেকে একজন যোগ্য ও ধনাঢ্য ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবেন। গ্যাটসবির পার্টিতে নিককে দাওয়াত দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল যেন ডেইজি ও গ্যাটসবির মধ্যে পুনরায় যোগাযোগ স্থাপনে নিক সাহায্য করে।

ছবি: অন্তর্জাল

এদিকে, নিকের বাড়ি থেকে খুব বেশি দূরে নয় এমন এক জায়গায় থাকেন নিকের কাজিন ডেইজি। ডেইজি বিবাহিত নিকেরই কলেজের এক পরিচিত ব্যক্তি টমের সঙ্গে। নিককে ডেইজি জানান যে, তিনি স্বামী টমের সঙ্গে সুখী নন। কারণ টমের মারটিল উইলসন নামক একজন মিসট্রেস আছে। গ্যাটসবির উপস্থিতির কথা না জানিয়েই ডেজিকে চা খাওয়ার দাওয়াত দেন নিক। দেখা হওয়া মাত্রই দু’জনের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এদিকে ডেইজি ও গ্যাটসবির সম্পর্কের ব্যাপারে দিনদিন সন্দিহান হয়ে ওঠেন টম। এরই মাঝে একদিন গ্যাটসবিকে পার্টিতে দাওয়াত দেন টম। নিউইয়র্ক সিটির ভেতর সবাইকে ড্রাইভ করতে বাধ্য করেন। পার্টির এক পর্যায়ে গ্যাটসবি ঘোষণা করেন, টমকে ছেড়ে দিতে যাচ্ছেন ডেইজি। এটাও বলেন যে, ডেইজি আর গ্যাটসবি শিগগিরই বিয়ে করতে যাচ্ছেন। যদিও টম খুব ভালো করেই জানতেন যে, ডেইজি তার এতসব প্রাচুর্য ফেলে সদ্য ধনবান হওয়া গ্যাটসবিকে কখনোই বিয়ে করবেন না। যাই হোক পার্টি থেকে বাড়িতে ফেরার পথে টম, নিক ও জর্ডান দেখতে পান, গ্যাটসবির গাড়ির সঙ্গে টমের মিস্ট্রেস মারটিলের অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে। মারটিল নিহত হন। যদিও নিক পরে জানতে পারেন, আসলে ডেইজি ওই সময় ড্রাইভ করছিলেন। কিন্তু ডেইজিকে বাঁচানোর জন্য গ্যাটসবি নিজে সব দোষ স্বীকার করে নেন।

এদিকে টম মারটিলের স্বামী উইলসনকে জানান, গ্যাটসবি হচ্ছে মারটিলের গোপন প্রেমিক। তিনিই মারটিলকে খুন করেছেন। ফলে মারটিলের স্বামী গ্যাটসবিকে অনুসরণ করে তার প্রাসাদে প্রবেশ করেন। তাকে খুন করে নিজেও আত্মহত্যা করেন। গ্যাটসবির মৃত্যুর পর নিক তার বারিয়ালের আয়োজন করেন কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে দেখা যায় যে, প্রকৃতপক্ষে তার পরিচিত কেউ গ্যাটসবির মৃত্যু নিয়ে মোটেও উদ্বিগ্ন নন।

গ্যাটসবির মৃত্যুর পর কোনো সৌজন্য না দেখিয়েই একদিকে টম ও ডেইজি ছুটি কাটাতে শহর ছেড়ে চলে যান, অন্যদিকে এতদিন যেসব ব্যক্তি অতি উৎসাহ নিয়ে প্রতিনিয়ত গ্যাটসবির পার্টিতে এসে মদ খেতেন এবং নানারকম ফুর্তি করতেন, তারা সবাই শ্রাদ্ধের অনুষ্ঠানে আসতে অস্বীকৃতি জানালেন। এমনকি গ্যাটসবির বিজনেস পার্টনার জনসম্মুখে তার মৃত্যু নিয়ে শোক প্রকাশ করতেও অস্বীকৃতি জানালেন। জীবিত অবস্থায় যে মানুষটির জনপ্রিয়তা ছিল আকাশচুম্বী, মৃত্যুর পর মুহূর্তেই তিনি সবার মন থেকে চিরবিস্মৃত হয়ে গেলেন। আর এটাই হচ্ছে গ্যাটসবির প্রেমের পরিণতি।

এই তো গেলো গ্যাটবির প্রেম কাহিনি। তবে, যে কথা দিয়ে শুরু করেছিলাম, সেখানে আবারো ফিরে যাই। নারী-পুরুষের ভালোবাসার উন্মাদনায় আসলে কে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সেটা জানতে ইচ্ছে হয়? ভালোবাসার বাজি ধরে নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার পথে এগিয়ে আছে কে? নারী না পুরুষ? সেটা হয়তো হিসাব কষে বলা কঠিন।

তবে যুগযুগ ধরে ভালোবাসার খেলায় নারীদের হিসাবি চেহারাটাই সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। গল্পে উপন্যাসে সেটা আরো বেশি করেই হয়তো করা হয়েছে। সেই কবে কিশোরী বয়সে যাযাবরের ‘দৃষ্টিপাত’ পড়েছিলাম আর চারুদত্ত আধারকারের গভীর বেদনায় সহমর্মিতা জানাতে বিশ্বাস করেছিলাম তারই অনুভূতিগুলো—‘যে নারী, প্রেম তার পক্ষে একটা সাধারণ ঘটনা মাত্র। আবিষ্কার নয়, যেমন পুরুষের কাছে। মেয়েরা স্বভাবত সাবধানী, তাই প্রেমে পড়ে তারা ঘর বাঁধে। ছেলেরা স্বভাবতই বেপরোয়া, তাই প্রেমে পড়ে তারা ঘর ভাঙে। প্রেম মেয়েদের কাছে একটা প্রয়োজন, সেটা আটপৌরে শাড়ির মতই  নিতান্ত সাধারণ। তাতে না আছে উল্লাস, না আছে বিস্ময়, না আছে উচ্ছ্বলতা। ছেলেদের পক্ষে প্রেম জীবনের দুর্লভ বিলাস, গরিবের ঘরে ঘরে বেনারসি শাড়ির মতো ঐশ্বর্যময়, যে পায় সে অনেক দাম দিয়েই পায়। তাই প্রেমে পড়ে একমাত্র পুরুষেরাই করতে পারে দুরূহ ত্যাগ এবং দুঃসাধ্যসাধন। জগতে যুগে যুগে কিং অ্যাডওয়ার্ডেরাই করেছেন মিসেস সিম্পসনের জন্য রাজ্য বর্জন, প্রিন্সেস এলিজাবেথরা করেননি কোনো জন, স্মিথ বা ম্যাকেঞ্জির জন্য সামান্য ত্যাগ। বিবাহিত নারীকে ভালবেসে সর্বদেশে সর্বকালে আজীবন নিঃসঙ্গ জীবন কাটিয়েছে একাধিক পুরুষ। পরের স্বামীর প্রেমে পড়ে জীবনে কোনোদিন কোনো নারী রয়নি চিরকুমারী।’

কিন্তু সত্যি কি তাই? তাহলে অ্যান্তভ চেখভের ‘লেট ব্লসমস’-এর সেই হতভাগিনী প্রিন্সেস মারুস্যার অবিনাশী প্রেমকে আমরা কিভাবে দেখবো? যিনি কি-না তার স্বর্গত পিতা প্রিন্স প্রিকলনস্কির চিরদাস মজুরের ছেলে ডাক্তার তপকরভের প্রেমে পড়ে ক্ষয়রোগে আক্রান্ত হয়ে ধুঁকে ধুঁকে মরতে থাকেন। আর একটিবার মাত্র ডাক্তারের সান্নিধ্য পাওয়ার যে নিদারুণ আকুতি প্রকাশ করেন, তাতে কী প্রমাণ হয়, জানি না।

তবে মৃত্যুর আগে রোগী হয়ে ডাক্তারের চেম্বারে গেলে রোগী দেখার পর ডাক্তার জানান ‘রোগী দেখা হয়ে গেছে আপনি যেতে পারেন।’ মারুস্যা চেয়ার ছেড়ে উঠলেন না। প্রকৃত সত্য হচ্ছে তিনি কিছুতেই উঠতে পারলেন না। কারণ তার সর্বস্ব ক্ষয়ে গেছে ভালোবাসা নামক শুশুকের শোষণে। শেষ জীবনীশক্তির যতটুকু অবশিষ্ট ছিল, সেটুকু দিয়ে যতটা শব্দ উচ্চারণ করা যায়। তাই দিয়েই ফিসফিস করে শুধু এতটুকুই বলতে পারেন, ‘ডাক্তার আমি তোমাকে ভালোবাসি।’ এসব বাতুলতা বোঝার ক্ষমতা তো ডাক্তারের থাকার কথা নয়। তিনি রোগীর চিকিৎসা করেন অর্থ উপার্জনের জন্য। ভালোবাসা নামক এমন অযাচিত কোনো বস্তু চিকিৎসার বিনিময়ে কোনো রোগী তাকে প্রস্তাব করতে পারেন, এমন অবাস্তব কল্পনা করার সময় বা মন কোনোটাই তো তার থাকার কথা নয়!  তাই মারুস্যা আবার বললেন, ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’ আবারো, ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি ডাক্তার।’ হায়রে প্রিন্সেস! ডাক্তার শুধালেন, ‘আমি কী করতে পারি?’ প্রিন্সেস মারুস্যার তো জীবনবায়ু নিভে গেলো। তাতে ডাক্তারের কী এসে গেলো?

আবারো ফিরে যাই যাযাবরের ‘দৃষ্টিপাতে’। যাযাবর বলছেন, ‘জগতে মূর্খরাই তো জীবনকে করেছে বিচিত্র; সুখে দুখে অনন্ত মিশ্রিত। যুগে যুগে এই নির্বোধ হতভাগ্যের দল ভুল করেছে, ভালোবেসেছে, তারপর জীবনভর কেঁদেছে। হৃদয় নিংড়ানো অশ্রুধারায় সংসারকে করেছে রসঘন, পৃথিবীকে করেছে কমনীয়। এদের ভুল, ত্রুটি, বুদ্ধিহীনতা নিয়ে কবি রচনা করেছেন কাব্য, সাধক বেঁধেছেন গানচিত্র, ভাস্কর পাষাণ খণ্ডে উৎকীর্ণ করেছেন অপূর্ব সুষমা।’

তাহলে কী দাঁড়ালো? ওপরের প্রত্যেকটি শব্দ শুধুই পুরুষের জন্য প্রযোজ্য? নারীর মনে প্রেমের কী কোনো স্থান নেই? নারী শুধুই সাধারণ আর পুরুষ মাত্রই অসাধারণ? জগতে নারীরাই শুধু বুদ্ধিমতি? তারা ভালোবাসে বিয়ে করার জন্য আর চাকরি করে ব্যাংকে টাকা জমানোর জন্য স্যাকরার দোকানে যায় গহনা গড়ানোর জন্য আর তাদের জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্যই কি পুত্র-কন্যা-স্বামী নিয়ে নির্বিঘ্নে জীবনযাপন করা সচ্ছলতায়?

তাহলে যাযাবর বলছেন, ‘কিন্তু প্রেমিক যে পুরুষ, সে সংসারে রইলো বঞ্চিত হয়ে, হৃদয় নিয়ে করলো ব্যঙ্গ, যে উপহাসের পরিবর্তে নারীকে দিলো প্রেম, সেই দীপ্তিহীন অগ্নির নির্দয় দাহনে পলে পলে দগ্ধ হলেন বহু কাণ্ডজ্ঞানহীন হতভাগ্য পুরুষ।’

তাহলে তো দেখছি পুরুষই সবদিক দিয়ে মহান! কিন্তু সত্যি কি প্রেম শুধুই পুরুষের ব্যক্তিগত সম্পত্তি? তাই তাদের জীবনকেই শুধু ঐশ্বর্যময় করে তোলে প্রেম, আর মহিমা দেয় মৃত্যুকে? আর প্রেমে পড়ে নারীর সব ত্যাগ এমন কী জীবনও বুঝি হিসাব কষার খাতার মতই সাধারণ ও মলিন হয়ে রয় পুরুষের চোখে? খুব জানতে ইচ্ছে হয়, কী সেই কারণ, যা শিল্প সাহিত্যে যুগ যুগ ধরে পুরুষকে মহান করে রেখেছে আর নারীকে চিহ্নিত করেছে খেলো করে? কে বলতে পারে এর কারণ এটাই নয়তো যে সর্বযুগে সর্বকালে পুরুষই আধিপত্য ধরে রেখেছে শিল্প-সাহিত্যের জগতে? আর নারীরা ব্যবহৃত হয়েছে পুরুষের ইচ্ছে স্বাধীনতার ওপর? ব্যাপারটা ভাবনারই বটে।

লেখক: কবি ও সাহিত্যিক

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর/এসআর