Alexa ‘৯৬ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত ইতিহাস জানতে দেয়া হয়নি’

‘৯৬ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত ইতিহাস জানতে দেয়া হয়নি’

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:০১ ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস জানতে দেয়া হয়নি। দলমত নির্বিশেষে সবার কাছে বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর চেতনা ও আদর্শ ছড়িয়ে দিতে হবে।

শুক্রবার রাজধানীর শিল্পকলা অ্যাকাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে ‘জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ফুল প্রতিযোগিতা ২০১৯’ এর চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ ও জাতি গড়ার কারিগর। তাদের কাছে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে হবে। এক্ষেত্রে বিজয়ফুল প্রতিযোগিতা বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, শুধুমাত্র আইন প্রণয়ন করে নৈতিক গুণাবলী সম্পন্ন মানুষ গড়া সম্ভব নয়। এ জন্য প্রয়োজন সারাদেশে সুষ্ঠু সংস্কৃতি চর্চা ও সাংস্কৃতিক জাগরণ।

তিনি বলেন, দেশপ্রেমের মনোভাব নিয়ে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমেই কেবল মানুষের মাঝে দেশপ্রেম জাগ্রত করা সম্ভব।

নতুন প্রজন্মের কাছে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা উপলব্ধি ও সংগ্রামী ইতিহাস জানানোর উদ্দেশ্যে দেশজুড়ে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘বিজয়ফুল’ তৈরি, গল্প ও কবিতা রচনা, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, একক অভিনয়, চলচ্চিত্র নির্মাণ এবং দলগত দেশাত্মবোধক ও জাতীয় সঙ্গীত প্রতিযোগিতার আয়োজন করে সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এর বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল এনডিসি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এসডিজি) মো. মোকাম্মেল হোসেন।

উল্লেখ্য, স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা পর্যায়ে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আন্ত‍:শ্রেণি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শুরু হয়ে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ে বাছাইয়ের মধ্য থেকে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিযোগী নির্বাচন করা হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এস.আর/আরএইচ