৮১ পদের ৫৮টিই শূন্য

৮১ পদের ৫৮টিই শূন্য

এম.আর সুমন, রায়পুর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:৩৭ ১২ জুন ২০১৯  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

জনবল সংকটে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর সরকারি মৎস্য প্রজনন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ৮১টি পদের মধ্যে ৫৮টি পদই কয়েক বছর ধরে শূন্য রয়েছে। এতে উৎপাদন মৌসুমে মৎস্য রেণু ও পোনা উৎপাদন বিঘ্নিত হচ্ছে।

কর্মকর্তাদের জন্য সাতটি আবাসিক ভবন রয়েছে। কিন্তু জনবল সংকটে চারটি ভবন জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত হয়ে আছে। এছাড়া ৬৯টি পুকুরের মধ্যে ৩০টিই রেণু ও পোনা উৎপাদনের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

আশির দশকে ৫৪ একর জমির উপর মৎস্য প্রজনন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়। ২০১৩ সালে বাংলাদেশে নিযুক্ত শ্রীলংকার সাবেক রাষ্ট্রদূত এ হ্যাচারি পরিদর্শনে আসেন। তখন পোনার মান দেখে তিনি পাঁচ হাজার নমুনা হিসেবে শ্রীলংকায় নিয়ে যান। এটিই ছিল এশিয়ার বৃহত্তম হ্যাচারি। কিন্তু দুই দশক পার না হতেই ভেস্তে যেতে বসেছে হ্যাচারিটির বিপুল সম্ভাবনা।

রায়পুর পৌরসভার মেয়র ইসমাইল খোকন বলেন, ‘বেসরকারি হ্যাচারিগুলোর পোনার মান নিয়ে প্রশ্ন আছে। এ জন্য সবাই সরকারি হ্যাচারির দিকে ঝুঁকছে। এ হ্যাচারিতে এক সময় পর্যটকরা আসতো। কিন্তু বিভিন্ন কারণে হ্যাচারিটি সম্ভাবনা হারাচ্ছে। জনবল সংকট দূর করতে পারলে হ্যাচারিটি চিরচেনা রূপ ফিরে পাবে।

রায়পুর সরকারি মৎস্য প্রজনন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সিনিয়র সাইন্টিস্ট মো. ওয়াহিদুর রহমান মজুমদার বলেন, গত অর্থবছরে প্রায় ৬০ লাখ টাকার রেণু-পোনা বিক্রি হয়েছে। সংকট না থাকলে এ বছর চহিদার চেয়ে দ্বিগুণ রেণু উৎপাদন করা যেত। জনবল সংকটসহ সব সমস্যা লিখিতভাবে কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর