Alexa ৩৫ বছরেই নৌসেনা অফিসার, চিকিৎসক, নাসার বিজ্ঞানী তিনি

৩৫ বছরেই নৌসেনা অফিসার, চিকিৎসক, নাসার বিজ্ঞানী তিনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৪:২০ ২২ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৪:২৪ ২২ জানুয়ারি ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ব্যক্তি জীবনে ক্যারিয়ার গড়া কঠিন। অনেকে ক্যারিয়ার দাঁড় করাতে গিয়ে জীবনের অর্ধেক সময় হারিয়ে ফেলেন। না পান নিজের পছন্দ মতো চাকরি, না তৃপ্তিদায়ক বেতন। আবার চাকরি নিয়ে অস্বস্তিতে থাকেন অনেকে। না পারেন চাকরি ছাড়তে, না পারেন ধরে রাখতে। তবে এক বিস্ময় যুবকের সন্ধান পাওয়া গেছে। যিনি একটার পর একটা চাকরি ছেড়ে নতুন চাকরি নিয়েছেন। কারণ তার অধীনে রয়েছে তিনটি পেশা।-খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

সংবাদমাধ্যমটি জানায়, এমন বিস্ময় যুবকের নাম জনি কিম। তিনি ১৯৮৪ সালে লস অ্যাঞ্জেলসে জন্মগ্রহণ করেন। এখন তার বয়স ৩৫ বছর। এরইমধ্যে তিনি চিকিৎসক, নৌসেনা অফিসার ও নাসার বিজ্ঞানী হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। তিনি সর্বশেষ নাসায় কর্মরত রয়েছেন।

কিমের বাবা-মা কোরিয়ান হলেও পরবর্তী প্রজন্মকে ভালো ভবিষ্যত উপহার দিতে আমেরিকায় পাড়ি জমান। অল্প শিক্ষিত বাবা আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলসে একটি মদের দোকান খুলেন। আর মা স্কুল শিক্ষিকার কাজ শুরু করেন। জন্মের কয়েক বছর পর কিমকে স্কুলে ভর্তি করেন বাবা-মা।

স্কুল পাসের পর ১৮ বছর বয়সে কিম নৌ সেনা অফিসার হিসেবে কাজ শুরু করেন। সেখানে যোগ দেয়ার পর সিলভার স্টার, ব্রোঞ্জ স্টার, নেভি অ্যান্ড মেরিন কর্পস কমেন্ডেশন মেডেল পান। এছাড়া নেভিতে লেফটেন্যান্ট-এর পদমর্যাদা পান তিনি।

এরপর চিকিৎসা বিজ্ঞানে ড্রিগ্রি অর্জন করে চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। পরে ২০১২ সালে জনি ইউনিভার্সিটি অব সান দিয়েগো থেকে গণিত বিভাগে স্নাতক ডিগ্রি নেন কিম। হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলে পড়ার সময় তার সঙ্গে নভোচারী স্কট ই প্যারাজিঙ্কস্কির পরিচয় হয়। কিমকে নাসার স্কুলে আবেদনের কথা জানান স্কট। এতে ১৮ হাজার ৩০০ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কিমও আবেদন করেন। যদিও কিম অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য আবেদন করেছিলেন, তবে বেছে নেয়া ১৩ জনের মধ্যে তাকেও নেয় নাসা।

২০১৭ সালের ২১ আগস্ট নাসার স্কুলে যোগ দেন তিনি। ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি নাসা স্কুল থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। নাসা স্কুল থেকে পাসের পর থেকেই কিম নাসাতেই কর্মরত রয়েছে। তিনি শিগগিরই মহাকাশে যাবেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ