Alexa ‘১৫ মিনিট দেরিতে পরীক্ষার হলে ঢুকে মনি-পপি’

নুসরাত হত্যাকাণ্ড

‘১৫ মিনিট দেরিতে পরীক্ষার হলে ঢুকে মনি-পপি’

ফেনী প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:২৫ ১১ জুলাই ২০১৯   আপডেট: ১৭:৩০ ১১ জুলাই ২০১৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ফেনীতে আলোচিত নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় মাদরাসা শিক্ষক আবুল খায়ের সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ নিয়ে ১৩ জনের সাক্ষ্য ও জেরা শেষ হয়েছে। এছাড়া ১৪ জুলাই সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করে আদালত।

বৃহস্পতিবার জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে সাক্ষ্য দেন এ শিক্ষক।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী এম. শাহজাহান সাজু বলেন, বৃহস্পতিবার মাদরাসা শিক্ষক আবুল খায়ের সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য দেয়ার পর তাকে জেরা করেন আমামিপক্ষের আইনজীবীরা। সাক্ষীর জবানবন্দিতে আবুল খায়ের আদালতকে জানান, ৬ এপ্রিল পরীক্ষার হলে কামরুন নাহার মনি ও উম্মে সুলতানা পপি ১৫ মিনিট দেরিতে প্রবেশ করে। এ বিষয়ে তাদের জিজ্ঞেস করা হলে তারা জানিয়েছিল, তারা বাথরুমে ছিল। তার কিছুক্ষণ পরে নুসরাতের গায়ে আগুন দেয়ার খবর পাই।

তিনি আরো বলেন, ১৪ জুলাই আরো দুই সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ হবে। তারা হচ্ছেন- আবদুল হালিম মামুন ও মো. ইউসুফ।

এর আগে ২৭ জুন মামলার বাদী ও প্রথম সাক্ষী নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমানের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। পরে রাফির বান্ধবী নিশাত সুলতানা ও সহপাঠী নাসরিন সুলতানা, মাদরাসার পিয়ন নুরুল আমিন, নৈশপ্রহরী মো. মোস্তফা, কেরোসিন বিক্রেতা লোকমান হোসেন লিটন, বোরকা দোকানদার জসিম উদ্দিন ও দোকানের কর্মচারী হেলাল উদ্দিন ফরহাদ, নুসরাতের ছোট ভাই রাশেদুল হাসান রায়হান, জহিরুল ইসলাম, হল পরিদর্শক বেলায়েত হোসেন, নুসরাতের মা শিরিন আখতার সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য দেয়ার পর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের জেরা করেন।

চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়ন করেন। এমন অভিযোগে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ৬ এপ্রিল ওই মাদরাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। টানা পাঁচদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে ১০ এপ্রিল মারা যান নুসরাত।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ