১১০০ কেজির বিন লাদেন বিক্রি হলো লোকসানে 

১১০০ কেজির বিন লাদেন বিক্রি হলো লোকসানে 

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৮:৪৪ ৩ আগস্ট ২০২০  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

দিনাজপুরের হিলির আলোড়ন সৃষ্টিকারী ১১০০ কেজি ওজনের বিন লাদেন গরুটি অবশেষে বিক্রি হলো লোকসানে। অনেক চেষ্টা করেও গরুর মালিক বিন লাদেনকে বিক্রি করতে না পেরে তুলেন গাবতলীর পশুর হাটে। সেখানে মাত্র ৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয় গরুটি। 

বিন লাদেনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিলো ১৫ লাখ টাকা। সঙ্গে উপহার হিসেবে ছোট আকারের দেশি গরু দেয়ারও ঘোষণা ছিল।

খামারি মাফুজার রহমান বাবু হিলির ছাতনিতে প্রায় চার বছর ধরে গরুটি লালন পালন করেছেন। সাদা-কালো রঙের ব্রামহা জাতের বড় আকারের ষাঁড় গরুটির উচ্চতা ছিল ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি। লম্বায় ছিল ১১ফিট ৬ ইঞ্চি। এর ওজন প্রায় ১১০০ কেজি।

মাফুজার রহমান বাবু বলেন, স্থানীয় প্রাণিসম্পদ অফিসের মাধ্যমে নেয়া ব্রামহা জাতের বীজে খামারের গাভি থেকে জন্ম নেয়া বাছুরটিকে লাভের আশায় গত চার বছর ধরে লালন পালন করে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিলো। স্থানীয় বিভিন্ন হাটে ওঠানো ও প্রাণিসম্পদ অফিসের অনলাইন কোরবানির পশুর হাটে বিন লাদেনের ছবি পোস্ট করা হয়েছিলো। তবে অনলাইনে মাত্র একজন ক্রেতা গরুটি দেখে চার লাখ টাকা দাম বলেন। ঈদ ঘনিয়ে আসার পরেও বিক্রি না হওয়ায় অবশেষে গরুটি গাবতলী পশুরহাটে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ঈদের আগের দিন একজন ৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকায় গরুটি কিনে নেন।

অথচ ষাড়টির পেছনে সাড়ে চার লাখ টাকার মতো ব্যয় হয়েছে বলে দাবি করেছেন খামারি। কিন্তু করোনার কারণে ক্রেতা না থাকায় বাধ্য হয়ে লোকসানে গরুটি বিক্রি করা হয়।

হাকিমপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সামাদ বলেন, হাকিমপুরে এবারে কোরবানির ঈদের জন্য বড় আকারের দুটি ষাড় লালন পালন করেছেন খামারিরা। এর মধ্যে একটির ওজন ১২০০ কেজি যার নাম রাজামশাই। আর একটি ১১০০ কেজি ওজনের বিন লাদেন। বড় আকারের গরুগুলো সাধারণত ঢাকাসহ বাইরের ক্রেতারাই কেনেন। তবে করোনার কারণে দুটি গরুই আশানুরূপ দামে বিক্রি করা যায়নি বলে জানান তিনি।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ